1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

নোয়াখালি থেকে সালথায় যুবতীকে বিয়ে,পরিবারের হুমকি ও অস্বীকৃতি

লাবলু মিয়া,ফরিদপুর :
  • Update Time : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩ Time View

ফরিদপুরের সালথায় নিজেকে বৈধ স্ত্রী দাবি করেছেন নোয়াখালীর চৌমুহনী এলাকার রোমানা। তার অভিযোগ, তাকে বিয়ে করার পর স্বামী ও তার পরিবার প্রতারণা করেছেন।

‎রোমানা বলেন, ঢাকায় তার বোনের বাসায় থাকাকালীন পরিচয় হয় রুমান ফকিরের সঙ্গে। রোমানা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সম্পর্ক নয়, সরাসরি বিয়ে করতে হবে। এরপর চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি রাত ৯টায় তিন লক্ষ টাকা মোহরানায় কাবিন সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর তিন দিন তারা একসাথে থাকেন।

‎রোমানা আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের পর তিনদিন একসঙ্গে থাকার পর বিষয়টি জানাজানি হলে ছেলের পরিবারের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। একপর্যায়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে গ্রহণ না করে উল্টো হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

‎তিনি বলেন, “আমাকে বিয়ে করা হয়েছে। কাবিননামা আছে। আমি আমার স্বামীর ঘরে স্ত্রী হিসেবে থাকতে চাই।”

‎অভিযুক্ত স্বামী হিসেবে রোমানা যাকে দাবি করছেন, তার নাম রুমান ফকির, পিতা পান্নু ফকির

‎গ্রাম কুমারকান্দা, ইউনিয়ন যদনন্দী, উপজেলা সালথা, জেলা ফরিদপুর।

‎এদিকে, নিকাহ সম্পাদনকারী সোলেমান কাজি বলেন, “তিন লাখ টাকা দেনমোহরে তিনজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে স্বেচ্ছায় বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে।”

‎স্থানীয় ইউপি সদস্য কিরামত মেম্বার জানান,“সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমি ঘটনাস্থলে যাই। কাবিননামা যাচাই করে ছেলের বাড়িতে কথা বলি। কিন্তু ছেলের মা স্পষ্ট জানিয়ে দেন—মেয়েটিকে ঘরে তুললে তিনি আত্মহত্যা করবেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় মেয়েটিকে নিরাপত্তার জন্য আমার হেফাজতে রাখা হয়েছে।”

‎কিরামত মেম্বার আরও বলেন, রাতে ছেলের বাবা পান্নু ফকির তাকে ফোনে জানান,

‎“এই কাবিন আমি মানি না। আমার ছেলেকে আমি জাহান্নামে দিয়েছি, মেয়েটা যাকে পারে খুঁজে নিক।”

‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছেলের বাবা পান্নু ফকিরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

‎বর্তমানে ভুক্তভোগী নারী আইনি ও সামাজিক স্বীকৃতির দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

‎সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান ফোটোফোনে বলেন, “এ বিষয়ে আমার জানা নেই। যদি কেউ অভিযোগ করতে চায় এবং নিরাপদ থাকতে চায়, তাহলে আমি বিষয়টি দেখবো।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!