গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুল ঢাকায় আটক হয়েছে। গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রমনা কালী মন্দির এর সামনে থেকে আশরাফুল আলম শিমুলকে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশ এর কাছে হস্তান্তর করেছে।
আশরাফুল আলম শিমুল গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার টেংরাখোলা গ্রামের মৃত বাকি মিয়ার ছেলে।
জানাগেছে,আশরাফুল আলম শিমুল ফ্যাসিট নিষিদ্ধ আওমী লীগের বিভিন্ন মামলার আসামী ছিলেন। তিনি দীর্ঘ দিন যাবৎ আত্মগপনে ছিলেন। সে আবস্থায় থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়ে ছিলেন। কিন্ত গত ৩ জানুয়ারি মনোনয়ন যাচাই-বাচাই পর্বে তার মনোনয়ন ফরম বাতিল হয়। পরে প্রার্থীতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছে।
আপিলে প্রার্থীতা ফিরে পেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।
অন্যদিকে শিমুলের আটক হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেজবুকে প্রচার হলে বিভিন্ন মহল ও সাধারণ মানুষের মাঝে চলেছে আলোচনা-সমালোচনা। কি হবে এখন তিনি কি নির্বাচন করতে পারবেন কি না এমন প্রশ্ন এখন সকলের মনে। আবার ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্টে ইঙ্গিত দিচ্ছে বিএনপির প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্লার বিরুদ্ধে। এছাড়াও ফেসবুকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে সর্বত্রযুড়ে
হাচন শিশির নামের এক ব্যাক্তির ফেসবুক হুবহু তুলে ধরা হলোঃ
আশ্রাফুল আলম শিমুল!
মুকসুদপুরের রাজনীতির অন্যতম বরপুত্র। পিতা’র গুণমুগ্ধ ভক্তকূল এবং পরবর্তীতে নিজের ইমেজ নিয়ে যিনি চষে বেড়িয়েছেন গোটা মুকসুদপুর।
দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় মমতাময়ী মা’কে হারিয়েছে। মায়ের জানাজায় উপস্থিত হয়েছেন নির্বিঘ্নে।
সেই ব্যক্তি যখন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হলেন তখনি হিসাব-নিকাশ পাল্টে যেতে শুরু হলো।
কিছু দিন আগে জনাব সেলিমুজ্জামান সেলিম মাতুয়া সম্প্রদায়ের ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ওড়াকান্দী ঠাকুর বাড়ি গিয়ে দেখা করে এসেছেন কর্তাব্যক্তিদের সাথে।
সেই মাতুয়া সম্প্রদায়ের আরেক অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে রমনা কালী মন্দির এলাকা থেকে গ্রেফতার হলেন শিমুল মিয়া।
রাজনীতির হিসাব নিকাশ পরিস্কার!
কাবির মিয়া, শিমুল মিয়া নির্বাচনের মাঠে না থাকলে কার লাভ-লস সে হিসাব অন্য কোনো দিন করবো।
কিন্তু জুলাইয়ের আন্দোলনে যে ছাত্র হত্যার ট্যাগ দেওয়া হয়েছে বা হচ্ছে তা যে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দ্যেশ্যে সেটা বুঝতে আর কারো বাকি নেই।
কথা হচ্ছে “জুলাই আন্দোলন” কে যে বা যারা মিস ইউজ করছেন তাদের কে সাধারণ জনগণ কতটা গ্রহণ করছে?
ভোটের মাঠ পরিস্কার করতে যে নোংরা রাজনীতি’র চর্চা মুকসুদপুরে শুরু হলো তাতে কি আপনাকেও একদিন ভুক্তভোগী হতে হবে না?
সে গ্যারান্টি কে দিতে পারে?
নাকি,
যাহা পাও হাত পাতিয়া লও
বাকির খাতা শূন্য থাক!
রিদয় মোল্লা নামের এক আইডি থেকে দেওয়া পোস্ট তুলে ধরা হলোঃ
আজ রাত ১০.৩০ মিনিট এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রমনা কালী মন্দির এর সামনে থেকে একদল লোক মব সৃষ্টি করে আশরাফুল আলম শিমুল ভাইকে শাহবাগ থানা পুলিশ এর কাছে হস্তান্তর করেছে।মিথ্যা মামলা দিয়ে একের পরে এক এক জনে কে এই ভাবে হয়রানি করে নির্বাচনে ভোট পাওয়া যাবে না।