1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভাইরাল ‘লাইলী খালা’র আবদার পূরণ করলেন মানবিক প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ পাট জাগে পানির অভাব দূর হবে, জানালেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসক ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের মাসিক আইন শৃংখলা সভা (ওকাপ) কর্তৃক ফরিদপুরে মানব পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে কর্মশালা ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভোগনগরে ভিজিএফ চাল বিতরণ “জুলাই সনদ নিয়ে মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে” ফরিদপুরে যুবদলের প্রচারণা সভা ফরিদপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন সদরপুরে শুরু হয়েছে “ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ফরিদপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি উন্নয়ন সংস্থার নতুন কার্যকরী সংসদ গঠন ভাঙ্গায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠিত

প্রেম করে বিয়ে মেয়ের পরিবার না মানায় ছেলের পরিবারের উপর হামলা গুরুতর আহত ২ 

মধুখালী সংবাদদাতা
  • Update Time : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬৪ Time View
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের মুরারদিয়া গ্রামের বাসিন্দা মো:রোকমান কাজীর ছোট ছেলে জনি কাজী একই গ্রামের নুরুল মোল্যার মেয়ে শিলা আক্তারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং গত নয় মাস আগে দুজনে গোপনে বিয়ে করে। মেয়ের পরিবার, জামাইয়ের পরিবারকে মেনে না নিয়ে বিভিন্ন সময় হামলা , মামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে, তারই ধারাবাহিকতায় গত ২১ ফেব্রুয়ারী দুপুর ২ ঘটিকার সময় নুরুল ইসলাম নিজে  স্ত্রী ছেলে, শ্যালক খাইরুল সহ কয়েকজন মিলে মেয়ের জামাই বাড়ির লোকজনের ওপর হমলা চালায় এমন টা অভিযোগ করেন নুরুল ইসলামের জামাই জনি কাজী ও তার পরিবার । জনি কাজী বাদী হয়ে মধুখালী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানায়, জনি কাজীর পরিবারের সাথে শিলা আক্তারের পরিবারের বিরোধের কারনে  ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং বেলা দুই ঘটিকার সময় নুরুল ইসলাম জনি কাজীর মা জাহানারা বেগম (৫৫) কে হত্যার উদ্দেশ্যে  ধারালো ছুরি দিয়ে মাথার বাম পাশে কোপ মারিয়া রক্তাক্ত করেন এবং জনি কাজীর মেঝো ভাই সাজ্জত কাজী ঠেকাতে আসলে  খাইরুল শেখ নামের এক ব্যাক্তির হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে তার বাম মাথার বাম পাশে কোপ মারতে গেলে বাম চোখের ওপরের অংশে লাগে এবং গুরুত্বর জখম হয়।
দুজনের চিৎকারে জনি কাজীর বড় বোন রুমি (৩০) ঠেকাতে আসলে নুরুল মোল্যা রুমির গলা টিপে ধরে ও মারপিট করে গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেন নিয়ে যায়।
জনির বড় ভাই মোঃ শাহিন কাজী (২৭) জানান আমার ছোট ভাই জনি কাজী একই গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে দুজনে গোপনে বিয়ে করে আর এই বিয়েই হচ্ছে এই হামলার মূল কারণ নুরুল ইসলামের পরিবার আমাদেরকে মেনে নিতে পারছে না এবং প্রকাশ্যেই গ্রামে মানুষের কাছে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দিয়ে বেড়াচ্ছেন, এমনকি একুশে ফেব্রুয়ারি বেলা ২ঃ০০ টায় আমার মা ও আমার ভাই মোঃ সাজ্জাদকে অতর্কিতভাবে হামলা করে এবং ভারালো ছুরি দিয়ে আমার ভাই ও মাকে হত্যার উদ্দেশ্যে যখম করে । এই ব্যাপারে আমরা আমার অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। কারণ তারা তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে কিছুদিন আগে মোঃ খাইরুল সেখ নুরুল ইসলামের শ্যালক তিনি মামলায় জেল খেটে জামিনে আসে আসার পরে বেপরোয়া ভাবে বিভিন্ন অপকর্ম শুরু করেছে।
এ বিষয়ে সরজমিনে গিয়ে ঘটনার  সত্যতা মিলে। এবং জনি কাজীর মায়ের সাথে কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের জানায় তার ছোট ছেলে জনি কাজীর শশুর বাড়ি একই এলাকায় তার নিজ বাড়ি হতে ২/৩ বাড়ি দূরত্বে। জনি কাজীর সাথে নুরুল মোল্যার মেয়ের বিয়ের বিষয়টা নুরুল মোল্যা মেনে নিতে না পেরে আমাদের  উপর  হামলা চালায় ও মেরে ফেলার হুমকি দেয় ।
তিনি আরো জানান আমার ছেলের সাথে নুরুল মোল্লার মেয়ের বিবাহ হওয়ায় নুরুল মোল্লার পরিবার মেয়ের বিয়ে সহজভাবে মেনে নিতে পারছে না এ কারণেই একের পর এক হামলা হচ্ছে  আমাদের পরিবারের উপর।  জনি কাজীর আহত ভাই সাজ্জাত কাজী জানায় যে সে মাছ ধরার জন্য পুকুরে গিয়েছিলো বাসায় আসার সময় তাকে অতর্কিত হামলা করে  এবং ধারালো চাকু দিয়ে তাকে  গুরুতর জখম  করে।
স্থানীয় অটো চালক মোঃ তারেক মোল্লা জানায় আমি ইজিবাইক (অটো) চালাই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম হঠাৎ দেখি রাস্তার উপর রক্তাক্ত জখম অবস্থায় জনি কাজী  ও তার মা পাশে আরো অনেক লোক দেখা মাত্রই তাদেরকে উদ্ধার করে আমার অটোতে  করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করি।
প্রতিবেশী নার্গিস বেগম জানান মাঝেমধ্যেই নুরুল মোল্লা, নুরুল মোল্লার ছেলে মোঃ রবিন , নুরুল মোল্লার শ্যালক মোঃ খাইরুল  বাড়িতে এসে প্রাণনাসের হুমকি দেয়।
রুমি আক্তার তিনি জানান ওরা খুবই ড্যাঙ্গাত প্রকৃতির মানুষ মাঝেমধ্যেই গ্রামে ওরা মানুষের সাথে ঝামেলা ও মারামারি করতে থাকে। অল্প  কয়েকদিন আগে নুরুল মোল্লার শ্যালক মোঃ খাইরুল জেল থেকে  ছাড়া পেয়ে আবার বেপরোয়া হয়ে আমাদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা করে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মোঃ নুরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন ঘটনাস্থলের পাশেই দোকান ছিল দোকানে
খড়ির লাঠি ছিল আমি লাঠি নিয়ে আমার ছেলে আমার শালা সহ অন্যান্যদের লাঠি দিয়ে ভয় দেখায় যাতে করে কোন গন্ডগোল না হয় , এক পর্যায়ে হাতাহাতির মধ্যে জনির মার কপালে লাঠির আঘাত লাগে। এবং কপাল কেটে যায়।
কিন্তু আমরা মারামারি করতে চাইনি একপর্যায়ে হাতাহাতির মধ্য দিয়ে জাহানারা বেগমের কপালে লাগে  তখন সে গুরুতর আহত হয়। তবে চাকু দিয়ে যখম করার কথা অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মধুখালী থানার উপরিদর্শক এসআই মোঃ ফারুক হোসেন ঘটনার সততা নিশ্চিত করে জানান অভিযোগ পেয়েছি অভিযোগ পেয়ে  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং আইনশৃঙ্খলা  স্বাভাবিক রাখার  জন্য নুরুল ইসলাম সহ দুই পক্ষকে শান্ত থাকার জন্য বলি, এ ব্যাপারে  প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!