1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে হামের ভয়াবহ বিস্তার, চার মাসে আক্রান্ত ১,২৫০ বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হসপিটালে ছাত্র, শিক্ষক অবরুদ্ধ মুকসুদপুরে ক্লিনিকের বর্জ্য বাওড়ে, আতঙ্কিত কৃষকরা ফরিদপুরে কৃষি ও পরিবেশের নতুন দিগন্ত: খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন এমপি চৌধুরী নায়াব ইউসুফ মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভরা দালাল নয়, উচ্চশিক্ষিত পেশাজীবী: ফরিদপুরে মর্যাদা ও নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন ’নির্যাতনের ২০ বছরে বিএনপি আরও শক্তিশালী হয়েছে’ : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম মুকসুদপুরে বাঁধ ভেঙে কৃষকদের ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা, কৃষকদের জরুরি সুইচ গেটের দাবি গরু পালনেই সফলতা | মুকসুদপুরের অনিমেষ মৌলিক এখন তরুণদের অনুপ্রেরণা মধুখালী সীমান্তে যৌথ অভিযান: মাটি কাটার দায়ে একজনের কারাদণ্ড ও জরিমানা কোটালীপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ছাই

ফরিদপুরে হামের ভয়াবহ বিস্তার, চার মাসে আক্রান্ত ১,২৫০

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ১৯ Time View

ফরিদপুর জেলায় হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১২ মে পর্যন্ত জেলায় মোট ১ হাজার ২৫০ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু গত ২৪ ঘণ্টাতেই নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫ জন। আক্রান্তদের অধিকাংশই শিশু এবং টিকাবঞ্চিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

আজ (মঙ্গলবার ১২ মে,২০২৬) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি রয়েছে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৩৬ জন। এছাড়া ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ২০ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছরে হাম আক্রান্ত হয়ে জেলায় এখন পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

উপজেলাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আক্রান্তের দিক থেকে ফরিদপুর সদর সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। সেখানে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ২২ জন। এছাড়া বোয়ালমারীতে ২১ জন, সদরপুরে ১৪ জন, ভাঙ্গায় ১২ জন, আলফাডাঙ্গায় ৯ জন, চরভদ্রাসনে ৬ জন, সালথায় ৫ জন, মধুখালীতে ৩ জন এবং নগরকান্দায় ২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৪৪ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাসপাতাল থেকে মোট ৪৬ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। চলতি বছরে এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৭১ জন রোগী।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, গ্রামাঞ্চলে এখনও অনেক শিশু নিয়মিত টিকাদানের বাইরে থেকে যাচ্ছে। কেউ কেউ স্বাস্থ্য সচেতনতার ঘাটতি এবং টিকাদান কার্যক্রমে অনিয়মের কথাও উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সবাইকে শিশুদের নির্ধারিত টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বাড়ি বাড়ি টিকাদান কার্যক্রম এবং স্বাস্থ্যবিধি মানতে কঠোর নজরদারি চালানো হবে। টিকাদানে অবহেলা বা গাফিলতির অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!