1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুকসুদপুরে ক্লিনিকের বর্জ্য বাওড়ে, আতঙ্কিত কৃষকরা ফরিদপুরে কৃষি ও পরিবেশের নতুন দিগন্ত: খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন এমপি চৌধুরী নায়াব ইউসুফ মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভরা দালাল নয়, উচ্চশিক্ষিত পেশাজীবী: ফরিদপুরে মর্যাদা ও নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন ’নির্যাতনের ২০ বছরে বিএনপি আরও শক্তিশালী হয়েছে’ : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম মুকসুদপুরে বাঁধ ভেঙে কৃষকদের ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা, কৃষকদের জরুরি সুইচ গেটের দাবি গরু পালনেই সফলতা | মুকসুদপুরের অনিমেষ মৌলিক এখন তরুণদের অনুপ্রেরণা মধুখালী সীমান্তে যৌথ অভিযান: মাটি কাটার দায়ে একজনের কারাদণ্ড ও জরিমানা কোটালীপাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ছাই ফরিদপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্বোধন: সেবা মিলবে দোরগোড়ায় ভাঙ্গায় মাসুদ হত্যা মামলায় নির্দোষ দাবি করে বিএনপি নেতা বাচ্চু মিয়ার সংবাদ সম্মেলন

মুকসুদপুরে ক্লিনিকের বর্জ্য বাওড়ে, আতঙ্কিত কৃষকরা

আরিফুজ্জামান
  • Update Time : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ৫৮ Time View

গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুরে হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকের বর্জ্য দখল করে নিয়েছে আটাডাঙ্গা বাওড়। দেখে মনে হয় এ যেন ক্লিনিকের বর্জ্য ফেলার ডাসবিন। বর্ষা এলে ক্লিনিকের বর্জ্য ফেলা বেড়ে যায় দিগুণ। এ নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা এবং ক্ষোভ দেখা গেছে সাধারণ মানেষের মাঝে।
মুকসুদপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, সুই ও ইনজেকশনের এম্পুলের কাচসহ বিভিন্ন মেডিকেল বর্জ্য কুমার নদীতে ফেলা হচ্ছে। পরে সেগুলো নদীর স্রোতে ভেসে এসে আটাডাঙ্গা বাওড় ও আশপাশের কৃষিজমিতে ছড়িয়ে পড়ছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বাওড়ের আশপাশের বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে এসব বিপজ্জনক বর্জ্য ছড়িয়ে থাকায় তারা এখন জমিতে কাজ করতে ভয় পাচ্ছেন। জমিতে ধান ও অন্যান্য ফসলের পরিচর্যা করতে গিয়ে অনেক কৃষকের হাতে সুই ঢুকে যাচ্ছে এবং পায়ে কাচ লেগে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এতে কৃষকদের মধ্যে সংক্রমণ ও নানা রোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
একাধিক কৃষক জানান, জমিতে নামলেই ভয় লাগে। কখন কোথা থেকে সুই বা কাচ পায়ে ঢুকবে বলা যায় না। অনেকেই আহত হয়েছেন। এরপরও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চরম অবহেলার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বর্জ্য নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ধ্বংস না করে খোলা নদীতে ফেলে দেওয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
এ বিষয়ে মুকসুদপুর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রায়হান ইসলাম (শোভন) জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিকিৎসা বর্জ্য যেন নিরাপদভাবে অপসারণ করা হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্থানীয় সচেতন মহল জনান দ্রুত চিকিৎসা বর্জ্য অপসারণ, নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশিক মাহমুদ কবির বলেন, “বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এখনই যদি চিকিৎসা বর্জ্য অপসারণ করার ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তাহলে নষ্ঠ হয়ে যাবে বাওড়ের ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্থ হবে কৃষক ও জেলেরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!