ফরিদপুর-২ (সালথা–নগরকান্দা) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর পক্ষে তার জীবনসঙ্গী, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. শোভন ইসলাম (সিআইপি) বলেছেন, যারা ইসলামকে বিক্রি করে রাজনীতি করছে, তারাই ভোট চুরির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। কোনোভাবেই যেন জনগণের ভোটাধিকার হরণ করতে না পারে—সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাংগারদিয়া ৬ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী প্রচারণা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এখন অনেক নতুন ভোটার প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। গণতান্ত্রিক এই অধিকার প্রয়োগে জনগণের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে—যার ইচ্ছা, তাকেই ভোট দেওয়ার অধিকার সবার আছে।
শোভন ইসলাম বলেন, আপনারা ২০০১ সালে আমার শ্বশুর মরহুম ওবায়দুর রহমানকে ভোট দিয়ে কারাগার থেকে মুক্ত করেছিলেন এবং বিজয়ী করেছিলেন। তৎকালীন সরকার মিথ্যা মামলার তকমা দিয়েছিল, আর আপনাদের ভোটেই আমার সহধর্মিণীর পরিবার সেই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়েছিল।
ভোটের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রাম পাহারা দিতে হবে। ১১ তারিখ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত—রেজাল্ট শিট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত—ধানের শীষের একটি ভোটও কবজের মতো করে রক্ষা করতে হবে।
সভায় মো. শহিদুলের সঞ্চালনায় সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আজিজুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মুহা. ছরোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, আমরা সবাই দলমত নির্বিশেষে একমত হয়ে শামা আপার ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবো। ধানের শীষ কৃষক ও গ্রামীণ অর্থনীতির প্রতীক, যা দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।
তিনি আরও বলেন, এই প্রতীক আত্মনির্ভরতা ও উৎপাদনের বার্তা দেয়, যা খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে সম্পর্কিত। শামা ওবায়েদ রিংকুর ধানের শীষে ভোট দিলে দেশ ও আমাদের এলাকার উন্নয়ন হবে—এটাই সবার মাথায় রাখতে হবে। ১৭ বছর পর আমরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি, আর সেই ভোট দেব ধানের শীষে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ওলামা দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মো. মাসুম বিল্লাহ, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. শাহিন মাতুব্বর, মো. মনির মোল্লাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।