1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুকসুদপুর উপজেলার ভাবড়াশুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দুই নেতার দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ সালথায় ইউপি সদস্যের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল গোপালগঞ্জে বেদগ্রাম-রঘুনাথপুর রেলক্রসিং এলাকায় ট্রাক-নসিমনের সংঘর্ষে কিশোর নিহত, আহত ২ টুঙ্গিপাড়ায় ১০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণ কাহারোল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে —- মঞ্জুরুল ইসলাম এমপি গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজন গ্রেপ্তার, জেল ও জরিমানা গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা গোপালগঞ্জে মহাসড়কের পাশে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার গোপালগঞ্জে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত মুকসুদপুরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ চায়না জাল আটক অতঃপর ফেরত

যিনি স্কুল গড়েছিলেন, তাঁকেই ভুলে গেছে সবাই

মুকসুদপুর প্রতিনিধি
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬১২ Time View

 

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কৃষ্ণাদিয়া বাগুমৃধা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত বেলায়েত মৃধার মৃত্যুবার্ষিকী আজ। কিন্তু বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিংবা শিক্ষকরা কেউই দিনটি স্মরণ করেননি। কোনো আনুষ্ঠানিকতা তো নয়ই, ছোট্ট একটি দোয়া মাহফিলও হয়নি।
১৯৬২ সালে মুকসুদপুরের কৃষ্ণাদিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মৃধা পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বেলায়েত মৃধা। তিনি ১৯৮৬ সালে তাঁর পিতা বাগুমৃধার নামে নিজস্ব জমি ও অর্থ ব্যয়ে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দেশ্য ছিল—গ্রামের প্রতিটি শিশু যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়। ২০১৪ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
আজ, তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে স্কুলে নীরবতা বিরাজ করছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের ভাষ্য, যে মানুষটি নিজের শ্রম ও সম্পদ দিয়ে বিদ্যালয়ের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, তাঁকেই আজ অবজ্ঞা করা হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠাতার কন্যা মিতা আহমেদ বলেন, > “আমার বাবা এই বিদ্যালয়ের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। অথচ আজ তার মৃত্যুদিনেও কেউ তাকে স্মরণ করে না—এটা আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রধান শিক্ষক গোলাম মাওলা ও তাঁর স্ত্রী সহকারী গ্রন্থাগারিক মুক্তা বেগম কোনোদিনও প্রতিষ্ঠাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেননি। এর প্রভাবেই শিক্ষক সমাজও নীরব থাকেন বলে দাবি তাঁর।
স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাকে স্মরণ করা কেবল শ্রদ্ধার বিষয় নয়—এটি ইতিহাস জানার একটি প্রয়োজনীয় মাধ্যমও। নতুন প্রজন্ম যেন জানতে পারে কার স্বপ্ন, ত্যাগ ও প্রচেষ্টায় এই বিদ্যালয়ের জন্ম, তা নিশ্চিত করাই কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।
তাদের দাবি, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত প্রতি বছর নিয়মিতভাবে প্রতিষ্ঠাতার স্মরণে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান আয়োজন করা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে কৃতজ্ঞতার বোধ সৃষ্টি হবে এবং তাঁরা অনুপ্রাণিত হবে নিজেদের সমাজ ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!