1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জে অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্ম -পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, হেলপার নিহত বীরগঞ্জে হলুদ রঙের তরমুজ চাষে হাবিবুরের সফলতা গোপালগঞ্জে কনসার্টে শেখ হাসিনার নামে স্লোগান, আয়োজক গ্রেফতার মুকসুদপুরে হিন্দু প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে কুড়িগ্রামের মুসলিম তরুনী নিখোঁজের ৩ দিন পর পুকুরে ভাসলো বৃদ্ধের মরদেহ দুই বছর পর মধুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওটি চালু ‎সালথায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন মুকসুদপুরে উজানি ইউপির জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ জলিরপাড়ের বানিয়ারচরে সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ : অভিযোগের শীর্ষে করাতকল

মণিরামপুরে ঋণের চাপ সইতে না পেরে যুবকের আ’ত্ম’হ’ত্যা’

আবু রায়হান, মনিরামপুর (যশোর)
  • Update Time : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ১৪৭ Time View

যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় ঋণের বোঝা সইতে না পেরে ফিরোজ হোসেন (৩৫) নামের এক যুবকের আত্মহত্যার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (৩ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের সাতনল মহলদারপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফিরোজ হোসেন ওই গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা ও এক ছেলে সন্তানের জনক ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফিরোজ পেশায় একজন প্রাইভেট মাইক্রোবাস চালক ছিলেন। পরিবারের আর্থিক উন্নতির আশায় তিনি নিজের মাইক্রোবাস বিক্রি করে এবং বিভিন্ন এনজিও থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কয়েক মাস আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমালেও সেখানে প্রত্যাশিত কাজ না পেয়ে চরম হতাশায় পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত নিঃস্ব অবস্থায় দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন।

দেশে ফেরার পর থেকেই ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চরম চাপের মধ্যে ছিলেন ফিরোজ। এনজিওর ঋণ, ধারদেনা এবং সংসারের ব্যয়ভার—সব মিলিয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

রবিবার সন্ধ্যার দিকে পরিবারের অগোচরে তিনি নিজ ঘরে প্রবেশ করেন। পরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ডিশ লাইনের তার পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি উদ্বেগও দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, অতিরিক্ত সুদের ঋণ ও বিদেশে গিয়ে কাজ না পাওয়ার হতাশা অনেক পরিবারকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও সহায়তা প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তারা ঋণগ্রস্ত ও হতাশাগ্রস্ত মানুষদের জন্য সামাজিক সচেতনতা ও সহায়তা কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

ফিরোজের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী ও তিন সন্তান এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। উপার্জনক্ষম একমাত্র ব্যক্তিকে হারিয়ে পরিবারটি যেন দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!