1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জে অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্ম -পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, হেলপার নিহত বীরগঞ্জে হলুদ রঙের তরমুজ চাষে হাবিবুরের সফলতা গোপালগঞ্জে কনসার্টে শেখ হাসিনার নামে স্লোগান, আয়োজক গ্রেফতার মুকসুদপুরে হিন্দু প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে কুড়িগ্রামের মুসলিম তরুনী নিখোঁজের ৩ দিন পর পুকুরে ভাসলো বৃদ্ধের মরদেহ দুই বছর পর মধুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওটি চালু ‎সালথায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন মুকসুদপুরে উজানি ইউপির জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ জলিরপাড়ের বানিয়ারচরে সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ : অভিযোগের শীর্ষে করাতকল

গোপালগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজে আয় ১৮ কোটি ২০ লাখ টাকা

বাঙ্গালী খবর রিপোর্ট
  • Update Time : শনিবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৭০৬ Time View

মৌসুমের শুরুতেই তেঁতে ওঠেছিল পেঁয়াজের বাজার। ফলে ভালো দামের আশায় ক্ষেতে পেঁয়াজের আবাদ শুরু করেন অনেক কৃষক। আর মাত্র ৭০ দিনের মাথায় মুড়িকাটা পেঁয়াজের ফলন পান তারা। প্রতি কেজি পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করেছেন ওই কৃষকরা। ফলে কাঁচা টাকা আয় করেছেন তারা। এখন এসব জমিতে বোরো ধানের আবাদ শুরু করছেন কৃষকরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামার বাড়ির উপ-পরিচালক আ. কাদের সরদার বলেন, রবি মৌসুমে গোপালগঞ্জের কৃষকরা ৩৫০ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদ করেন। এসব জমিতে মাত্র ৭০ দিনে ৪ হাজার ৫৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে। ওই পেয়াজের বিক্রি থেকে ১৮ কোটি ২০ লাখ টাকা আয় করেছেন কৃষকরা। এছাড়া বাজারে পেঁয়াজ কালির দামও ভাল ছিল। পেঁয়াজ কালি বিক্রি করেও ভাল টাকা আয় করেছেন তারা। জেলার মুকসুদপুর উপজেলার কদমপুর গ্রামের কৃষক ওবায়দুর রহমান বলেন, এই মৌসুমে পেঁয়াজের দাম ২শ’ টাকা পর্যন্ত অতিক্রম করেছিল। আমি আমার ১০০শতাংশ জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ করি। প্রতি শতাংশ জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদে আমার খরচ হয় ১ হাজার ৬০০ টাকা। শতাংশ প্রতি আমি ৬০ কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজের ফলন পেয়েছি। প্রথম দিকে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। শেষের দিকে ওই পেঁয়াজ ৩০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। গড়ে প্রতি শতাংশ জমি থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। এছাড়া প্রতি শতাংশ থেকে অন্তত ৫০০ টাকার কালি বিক্রি করেছি। মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ করে প্রতি শতাংশে আমার ১ হাজার ৩০০ টাকা লাভ হয়েছে। সে হিসাবে ১০০ শতাংশ জমি থেকে আমার লাভ হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। মুড়িকাটা পেঁয়াজের পর এখন জমিতে বোরো ধানের আবাদ করছি।
জেলার কাশিয়ানী উপজেলার হিরণ্যকান্দি গ্রামের কৃষক রবিউল মোল্লা বলেন, ৫২ শতাংশ জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়জ আবাদ করে অন্তত ৭৫ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। এখন এই জমিতে বোরো ধানের আবাদ করছি। এই ৫২ শতাংশ জমিতে ব্রি’র উচ্চ ফলনশীল জাতের ‘বঙ্গবন্ধু ধান-১০০’ আবাদ করছি। এখান থেকে অন্তত ৫২ মন ধান পাব। পেঁয়াজের পর ধানের আবাদেও আমার লাভ থাকবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ির অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সঞ্জয় কুমার কুন্ডু বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে সরকার কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ করতে চায়। সেই লক্ষ্যকে সামনে রখে আমরা কৃষিকে লাভজনক করতে কৃষককে দিয়ে অধিক ফসল ফলাতে উদ্বুদ্ধ করছি। এ বছর কৃষক মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদ করে লাভবান হয়েছেন। এভাবে এক ফসলী জমিকে আমরা দুই ফসলী ও দুই ফসলী জমিকে ৩ ফসলীতে রূপান্তর করছি। এতে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কম জমিতে অধিক ফসল উৎপাদন করে কৃষক লাভবান হচ্ছেন। এছাড়া জলাবদ্ধ জমিতে ভাসমান, ডালি, বস্তা পদ্ধতিসহ অন্যন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!