গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের ৬ নম্বর বানিয়ারচর ওয়ার্ডে সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, অনুমোদনহীন ভবন এবং কাগজপত্র ছাড়া করাতকল পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে কথিত কিছু প্রভাশালীর বিরুদ্ধে । এতে এলাকায় পরিবেশদূষণ ও শব্দদূষণের পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে বানিয়ারচর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে একাধিক পাকা স্থাপনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব স্থাপনার কয়েকটির বৈধ অনুমোদন বা জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে স্পষ্টতা নেই।
স্থানীয়দের দাবি, ‘সম্প্রীতি ফাউন্ডেশন’-এর নামে সভা রঞ্জন সিকদার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এক বিঘার বেশি সরকারি জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। একই এলাকায় সুমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও সরকারি বা অনুমোদনহীন জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া মিল্টন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই একতলা ভবন নির্মাণের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
এলাকায় এসব স্থাপনার পাশাপাশি একটি করাতকল (স-মিল) পরিচালিত হচ্ছে বলেও সরেজমিনে দেখা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, করাতকলটির বৈধ অনুমোদন ও পরিবেশগত ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে তারা নিশ্চিত নন। করাতকলের বিকট শব্দে আশপাশের বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা ও করাতকল পরিচালিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকি চোখে পড়ছে না। সরকারি জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রকৃত মালিকানা ও অনুমোদনের বিষয়টি যাচাই করা জরুরী। এই ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে সরকারের আইনি প্রয়োগ না হলে এসকল অপকর্ম দিন দিন বাড়বে বলে ধারনা করছে সচেতন মহল।