1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ওয়াবায়দুর রহমানের আদর্শ ধারণ করে সোনাপুরের উন্নয়ন করতে চান ছরোয়ার বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস এসোসিয়েশনের জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মধুখালীতে দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস পুলিশের সালথায় বরাদ্দের অর্ধেক সার অন্যত্র বিক্রি, ডিলারকে জরিমানা বোয়ালমারীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে মাদ্রাসার সভাপতি করতে বিএনপি এমপির সুপারিশ ফরিদপুরে এএসআইয়ের বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদা দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন কোটালীপাড়ার সেনারগাতী গ্রামের পূর্ব  পাড়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদে নবাব উদ্দিন তালুকদার কল্যাণ ট্রাস্টের খাট প্রদান সালথায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত টুঙ্গিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশিক্ষণ পেলেন মাঠকর্মীরা কাহারোলে শুভ মহালয়ায় পিতৃ-মাতৃ পূজা, ধর্মসভা ও বাউল কীর্তন অনুষ্ঠিত

কাশিয়ানীতে শিশু সাহারা’র মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা

মামুনুর রহমান শিকদার জুয়েল
  • Update Time : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৯ Time View

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের সাগর খাকির মেয়ে সাহারা ইসলাম সারা (০২) এর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধোঁয়াশা বাড়ছে। গত ১১ আগস্ট মঙ্গলবার সাহারা ইসলাম এর লাশ বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় মৃত শিশুর শরীরে পোড়া ক্ষত এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অস্বাভাবিক দাগ দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু মেয়েকে হারিয়ে বাবা-মা সহ সকলের শোকাহত অবস্থায় একটি দল তড়িঘড়ি করে দ্রুত তার দাফন কাফন সম্পন্ন করে।
ঘটনার পরে মৃত সাহারার মা মুক্তা বেগম বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে শিশুটির মা মুক্তা বেগম রান্নার কাজে ব্যস্ত হয়ে ওঠে তখন শিশুটি সেখানে হাটাহাটি করছিল। এর বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলে শিশুটির কোন সারা শব্দ না পেয়ে তাকে খুঁজতে শুরু করেন তিনি। এরপরে দুপুর একটার দিকে বাড়ির পাশে পানির মধ্যে তার লাশ খুঁজে পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে মৃত সাহারার মা জানান, আমরা প্রথমে মনে করেছি হয়তো সে পানিতে পড়ে মারা গেছে কিন্তু আমার কন্যা সাহারা ইসলাম এর পেটের উপর নাভির চারপাশে অনেকটা পোড়া এবং ফোসকা পড়া দেখতে পাই। এবং শিশুটির মুখে অন্য কারো হাতের চিহ্ন সহ গলায় দাগ দেখা যায়। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়া শর্তেও আমার মেয়ের শোকে আমি অচেতন ছিলাম। আমার স্বামী অন্য একটি জেলা থেকে গোপালগঞ্জ এসেই জানাজায় অংশগ্রহণ করে তখন তিনিও বিষয়টি বুঝতে পারেনি। পরে উক্ত বিষয়গুলো নিয়ে আমার স্বামী সহ পরিবারের সদস্যদের সাথে আলোচনা করে বুঝতে পারি আমার মেয়েকে প্রথমে ধর্ষণ ও পরে হত্যা করা হয়েছে এবং তার লাশ গোপনে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে হত্যাকে ভিন্নখাতে রূপ দেয়ার জন্য। এখন আমি প্রশাসনের কাছে দাবি করি আমার মেয়ের লাশ প্রয়োজনবোধে উত্তোলন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং তদন্ত করলে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ পাওয়া যাবে।
এ সময় তিনি আরো জানান বিষয়টি নিয়ে প্রথমে আমি কাশিয়ানী থানায় যাই কিন্তু সেখানে আমার মামলাটি তারা গ্রহণ করেনি কেননা এর মধ্যেই আমার মেয়েকে কবর দেওয়া হয়ে গেছে। পরবর্তীতে আমি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করি। আমি আমার মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সহ আমার মেয়ের মৃত্যুর সাথে যারা যারা জড়িত তাদের দেশের প্রচলিত আইনে কঠিন বিচার প্রত্যাশা করছি।
ইতিমধ্যে এই বিষয়টি নিয়ে উক্ত এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!