গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার উজানি ইউনিয়নের পুরাতন ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের জায়গা দখল করে বসতবাড়ি ও নতুন স্থাপনা গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছত্তার খন্দকারের বিরুদ্ধে।

সরকারি এই সম্পত্তি নিজের দাবি করে সেখানে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ছত্তার খন্দকার। দেখা গেছে, ওই জমির একটি মিউটেশন (নামজারি) ছত্তার খন্দকারের নামে সম্পন্ন করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে বর্তমান উজানি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) জানান, “পূর্ববর্তী সহকারী ভূমি কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা কী তথ্যের ভিত্তিতে এই মিউটেশন অনুমোদন করেছিলেন, তা স্পষ্ট নয়। আমরা ইতোমধ্যে এই মিউটেশন বাতিলের জন্য এবং ‘মিসকেস’ শুনানির উদ্দেশ্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্যারের কাছে আনুষ্ঠানিক সুপারিশ পাঠিয়েছি। শুনানিতে ছত্তার খন্দকার জমির উপযুক্ত ও বৈধ দলিল উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে তাঁর মিউটেশন বাতিল করা হবে।”
ইউনিয়ন পরিষদের ঐতিহ্যবাহী ও সরকারি জমি উদ্ধারে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা