1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সময় মানছেন না কর্মকর্তা, দেরিতে অফিসে এসে ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ১৮, মোট ২৫ গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীরগঞ্জে আজমল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্মৃতিচারণ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ মুকসুদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-মেয়ের সালথায় কে এম ওবায়দুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু নিজড়া ইউনিয়নে নতুন চমক সরদার আকিবুল ইসলাম পাটগাতী ইউনিয়নে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় কামরুল ইসলাম গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের মিছিলে পুলিশের গাড়ি ভা’ঙ’চু’র দুই পুলিশ সদস্যকে মা’র’ধ’র

সময় মানছেন না কর্মকর্তা, দেরিতে অফিসে এসে ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
  • Update Time : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ Time View

নির্ধারিত সময় সকাল ৯টা, উপস্থিতি বেলা ১১টায়; সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের দাবি

সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। নির্ধারিত সময়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপস্থিতি না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন দলিল নিবন্ধন ও রেজিস্ট্রিসংক্রান্ত কাজে আসা সেবাগ্রহীতারা। ফরিদপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের খণ্ডকালীন সাব-রেজিস্ট্রার মো. পারভেজ খানের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পর অফিসে আসার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় তিনি কার্যালয়ে উপস্থিত হন বলে অভিযোগ করেছেন সেবা নিতে আসা ব্যক্তিরা। এ ঘটনায় কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিজিটাল হাজিরার তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

 

সেবাগ্রহীতারা জানান, সোমবার সকাল থেকেই দলিল নিবন্ধন ও রেজিস্ট্রিসংক্রান্ত বিভিন্ন কাজের জন্য ফরিদপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে আসতে থাকেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দূরদূরান্ত থেকে আসা নারী-পুরুষ ও প্রবীণ নাগরিকেরা। প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করার আশায় সকালেই কার্যালয়ে এসে অপেক্ষা করতে থাকেন তাঁরা। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকায় তাঁদের অপেক্ষার সময় দীর্ঘ হয়। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি ক্ষোভের সৃষ্টি হয় সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে।

 

আরমান, আবুল ও লতা বেগমসহ সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের অভিযোগ, সরকারি দপ্তরে নির্ধারিত সময়ে কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকলে সাধারণ মানুষের কাজ ব্যাহত হয়। বিশেষ করে দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা ব্যক্তিদের যাতায়াত খরচ, সময় ও শ্রম—সবই নষ্ট হয়। অনেকেই ব্যক্তিগত ও জরুরি কাজ ফেলে কার্যালয়ে আসেন। কিন্তু সময়মতো সেবা না পেলে তাঁদের আবারও কার্যালয়ে আসার প্রয়োজন হয়। এতে বাড়তি দুর্ভোগের শিকার হন তাঁরা।

 

সেবাগ্রহীতাদের মতে, সরকারি দপ্তরে সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ, সাধারণ মানুষ নির্ধারিত সময়ে সেবা পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই কার্যালয়ে আসেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সময়মতো উপস্থিত না থাকলে সেবার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ধরনের অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন তাঁরা।

 

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ ও ডিজিটাল হাজিরার তথ্য পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তাঁদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট দিনের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে কর্মকর্তা কখন কার্যালয়ে প্রবেশ করেছেন, তা জানা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল হাজিরার তথ্য যাচাই করা হলে তাঁর উপস্থিতির সময় সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফরিদপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের খণ্ডকালীন সাব-রেজিস্ট্রার মো. পারভেজ খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। প্রথমবার ফোন করা হলে তিনি ‘আসতেছি’ বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে আবারও একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!