ফরিদপুরের সালথায় পোস্টার ও ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের এক নেতাকে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে সালথা থানার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম (৫১)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম গট্টি ইউনিয়নের আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক। বিভিন্ন স্থানে তাঁর নামের পোস্টার ও ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে তাঁকে গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে তাঁর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও করেন তিনি।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে উপজেলার খদ্দ লক্ষণদিয়া ঈদগাহের সামনের পাকা রাস্তায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে গালিগালাজ করেন। এর প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারধর করা হয়। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নজরুল ইসলাম।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দিয়েছেন। ঘটনার ভিডিও তাঁর মুঠোফোনে সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় সাক্ষী হিসেবে স্থানীয় দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন নজরুল ইসলাম।
অভিযোগে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁরা হলেন আলী হাসান খন্দকার (২২), টুটুল খন্দকার (৩৫), সাবুর খন্দকার (৩২), শহিদ খন্দকার (৪৫), মিজানুর খন্দকার (৪৮) ও ইকবাল খন্দকার (৩৪)। তাঁদের সবার বাড়ি উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের খদ্দ লক্ষণদিয়া এলাকায় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি পুলিশের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।