1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টুঙ্গিপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধে প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম ভাবকী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন রুহুল আমিন বাবু টুঙ্গিপাড়ায় কলেজের মালামাল চুরির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতি আটক গোপালগঞ্জে সাবমারসিবল পাম্পের পানিতে গ্যাসের উপস্থিতি সালথায় লটারিতে ৮০ শ্রমিক নিয়োগ টুঙ্গিপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যুব সমাবেশ মধুখালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত সময় মানছেন না কর্মকর্তা, দেরিতে অফিসে এসে ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ১৮, মোট ২৫ গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‎ফারুক মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, হেমায়েত মাতুব্বর একটি জমি বাচ্চু চোকদারের কাছে বিক্রি করেন কিন্তু জমি বুঝিয়ে দিচ্ছিল না। যার কারনে আজ পুলিশের উপস্থিতি শালিস হয়েছিল এবং আগামী সোমবার মাপজোপের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যায়ে হেমায়েত মাতুব্বরের ভাই ফয়সাল মাতুব্বর, আসলাম সহ ১০ থেকে ১৫ জন এসে ঝামেলা করতে থাকে। এক পর্যায়ে তাঁরা আমার লোকজনকে ধাওয়া দিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট করে। আমার অফিসেও ভাঙচুর করেছে। তাঁরা হুমকি-ধমকি দিয়ে বলতেছে, এদেশে বিএনপির লোকজন থাকতে পারবে না। ‎ ‎তিনি বলেন, আমি বিএনপি করার কারনে বিগত ১৭ বছর বাড়ি ছাড়া হয়েছি। এখনও আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছে। আমাদের নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। এই হেমায়েত বিস্ফোরক মামলার আসামী, বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) গাড়ি ভাঙচুরের আসামীও। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমি তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য করে দেন

লাবলু মিয়া,ফরিদপুর :
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০৬ Time View

‎ফরিদপুরের সালথায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন কৃষক দলের কার্যালয়সহ বিএনপি সমর্থিত গ্রুপের অন্তত ৮টি বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

‎ এছাড়া এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্ততপক্ষে ৭ জন আহত হয়েছে। তাঁদের উদ্ধার করে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে।

‎

‎আজ বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাতাগ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একপক্ষের নেতৃত্ব দেন উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক মাতুব্বর ও অপরপক্ষের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হেমায়েত মাতুব্বর।

‎

‎স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, হেমায়েত মাতুব্বরের একটি জমি ক্রয় করেন ফারুক মাতুব্বরের সমর্থক বাচ্চু চোকদার। সেই বুঝিয়ে না দেয়া তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে দুপুরে স্থানীয়ভাবে থানা পুলিশের উপস্থিতিতে শালিসে বসেন দুইপক্ষ এবং এক পর্যায়ে জমি মাপার সময়ে দুই পক্ষ বাগবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে এর জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র ঢাল-সড়কি নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

‎

‎এ সময় হেমায়েত মাতুব্বরের নেতৃত্বে কৃষকদল নেতা ফারুক মাতুব্বরের সমর্থক মিন্টু মুন্সি, সেলিম মুন্সি, হালিম মীর, মান্দার শেখ, মির্জা মুন্সি, সেলিম চোকদার, বাচ্চু চোকদার ও আসাদ শেখের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। এছাড়া গুরুত্বর আহত অবস্থায় আব্বাস মাতুব্বর (২৭), আসাদ (২৭), পিকুল মাতুব্বর (৫৪), লিটন মীরকে (৩৫) উদ্ধার করে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে। এছাড়া তাঁরা পাশ্ববর্তী কাগদী বাজারে অবস্থিত ইউনিয়ন কৃষক দলের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

‎

‎ফারুক মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, হেমায়েত মাতুব্বর একটি জমি বাচ্চু চোকদারের কাছে বিক্রি করেন কিন্তু জমি বুঝিয়ে দিচ্ছিল না। যার কারনে আজ পুলিশের উপস্থিতি শালিস হয়েছিল এবং আগামী সোমবার মাপজোপের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যায়ে হেমায়েত মাতুব্বরের ভাই ফয়সাল মাতুব্বর, আসলাম সহ ১০ থেকে ১৫ জন এসে ঝামেলা করতে থাকে। এক পর্যায়ে তাঁরা আমার লোকজনকে ধাওয়া দিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট করে। আমার অফিসেও ভাঙচুর করেছে। তাঁরা হুমকি-ধমকি দিয়ে বলতেছে, এদেশে বিএনপির লোকজন থাকতে পারবে না।

‎

‎তিনি বলেন, আমি বিএনপি করার কারনে বিগত ১৭ বছর বাড়ি ছাড়া হয়েছি। এখনও আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছে। আমাদের নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। এই হেমায়েত বিস্ফোরক মামলার আসামী, বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) গাড়ি ভাঙচুরের আসামীও। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমি তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।

‎

‎এ বিষয়ে হেমায়েত মাতুব্বর বলেন, ‘আজকে কি হয়েছে, এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা এবং আমি জড়িতও নাই।’

‎

‎এ বিষয়ে সালথা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রজিৎ মল্লিক বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হলে ৯৯৯-এ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল। এক পর্যায়ে একটি পক্ষ অপর পক্ষকে ধাওয়া দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর থানা থেকে আরও পুলিশ সদস্য এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় এখনও কোন পক্ষ অভিযোগ দেননি।’

‎

‎

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!