1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মধুখালীতে বিধবা বৃদ্ধার বসতভিটা উচ্ছেদের অভিযোগ, মীর আক্তার কোম্পানির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন সড়ক অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, গোপালগঞ্জে তীব্র প্রতিবাদ টুঙ্গিপাড়ার বর্নি গ্রামে পানির নিচে মাদ্রাসা, থমকে গেছে ৩৬০ এতিম শিশুর স্বপ্ন আস-সাদাকা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী, অসহায় ও দুঃস্থ অর্ধশতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ গোপালগঞ্জে শহিদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ভিডিও ভাইরালের পর টুঙ্গিপাড়ায় ওয়ার্ড যুবদল নেতাকে সাময়িক অব্যাহতি কোটালীপাড়ায় সংস্কারের ১৫ দিনের মধ্যেই সড়কে ধস, নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের স্ত্রীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর শোক কোটালীপাড়ায় ভিমরুলের আক্রমণে প্রাণ গেল চার বছরের শিশুর বাখুন্ডায় একটি পরিবার কে সরকারি রাস্তায় চলাচলে বাঁধা, প্রতিবাদ করায় অপবাদ দিয়ে নারীর ঘরে তালা

টুঙ্গিপাড়ার বর্নি গ্রামে পানির নিচে মাদ্রাসা, থমকে গেছে ৩৬০ এতিম শিশুর স্বপ্ন

টুঙ্গিপাড়া প্রতিনিধি
  • Update Time : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • ৪ Time View

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্নি ইউনিয়নে অবস্থিত বর্নি জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ক্যাম্পাসের মাঠ থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষ পর্যন্ত বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় গত তিন দিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বর্ষাতেই এমন দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ৩৬০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। তাদের মধ্যে নূরানী বিভাগে রয়েছে প্রায় ২০০ জন শিশু। এছাড়া দিনাজপুর, বরিশাল, বাগেরহাট, নোয়াখালী, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অনেক শিক্ষার্থী আবাসিক ও অনাবাসিক হিসেবে এখানে পড়াশোনা করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নূরানী বিভাগের শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে পড়ায় শিক্ষার্থীদের বই-খাতা, বিছানাপত্র ও প্রয়োজনীয় শিক্ষাসামগ্রী ভিজে নষ্ট হয়েছে। শ্রেণিকক্ষগুলোতে পানি জমে থাকায় শিক্ষকদের পক্ষে পাঠদান সম্ভব হচ্ছে না।

মাদ্রাসার সহকারী মোহতামিম মাওলানা ইমদাদুল হক বলেন, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই সামান্য বৃষ্টিতে পুরো মাদ্রাসা এলাকা পানিতে ডুবে যায়। পানি বের হওয়ার কোনো স্থায়ী ড্রেন না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। এতে কোমলমতি শিশুদের স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। তিনি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি স্থায়ী ড্রেন নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নূরানী বিভাগের শিক্ষক মুফতি সাইফুল ইসলাম জানান, মাদ্রাসার এই অংশটি সবচেয়ে নিচু হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই প্রথমে পানিতে তলিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে।

অপর শিক্ষক মাওলানা মেহরাফ হোসেন নোমানী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা দরিদ্র ও এতিম শিক্ষার্থীরা বর্তমানে চরম দুর্ভোগে রয়েছে। দ্রুত স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে শিশুদের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

স্থানীয়দের দাবি, বর্নি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি ভিত্তিতে ড্রেন নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!