1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধে ফরিদপুরে সচেতনতামূলক সভা বোয়ালমারীতে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগ : বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি অনুষ্ঠিত মধুখালীতে আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে বাণিজ্য মেলা ও বৈশাখী উৎসবের উদ্বোধন যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রী হত্যা : ফরিদপুরে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শ্বশুরবাড়িতে জামাইদের তাণ্ডব: ঘোড়া ও নগদ টাকাসহ মালামাল লুট সালথায় মাদক ব্যাবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাবেক সেনা সদস্যের ওপর হামলা ফরিদপুরে র‍্যাবের জালে ৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক মাদক কারবারি সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সালথায় পূর্ব শত্রুতার জেরে পাট ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ, কৃষকের লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির অভিযোগ

আবারো জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই হলেন সৈয়দ তোফাজ্জেল হোসেন

বাঙ্গালী খবর রিপোর্ট
  • Update Time : সোমবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৪৫৫ Time View

জেলার শ্রেষ্ঠ মাদকদ্রব্য উদ্ধারকারী অফিসার হিসেবে আবারো শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসারের সম্মাননা লাভ করেছেন মধুখালী থানার এসআই সৈয়দ তোফাজ্জেল হোসেন।  জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।  সোমবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে জেলা পুলিশের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোরশেদ আলম (পিপিএম বার)। এর আগেও সৈয়দ তোফাজ্জেল হোসেন জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই এর সম্মাননা লাভ করেন। জানা গেছে, একজন চৌকস ও মানবিক পুলিশ অফিসার হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন মধুখালী থানার এসআই সৈয়দ তোফাজ্জেল হোসেন।

থানা এলাকার আইন শৃঙ্খলার উন্নতি, অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অধিক হারে ওয়ারেন্ট তামিল, চোরাই গাড়ী উদ্ধারে সহায়তা, নারী নির্যাতন ও ইভটিজিং রোধ, চুরি-ডাকাতি রোধসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছেন তিনি। এবিষয়ে জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই এর সম্মাননা লাভকারী সৈয়দ তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, ফরিদপুর জেলার সুযোগ্য এসপি মোহাম্মদ মোরশেদ আলম  ও সার্কেল অফিসার মিজানুর রহমান সহ মধুখালী থানার সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ মো. মিরাজ হোসেনের নেতৃত্বে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন ও অপরাধ দমনে কাজ করে যাচ্ছি। আমাকে কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ এই সম্মাননা দেয়ায় আমি আনন্দিত। আগামীতে আরো বলিষ্ঠভাবে দ্বায়িত্ব পালনে আমার আগ্রহ আরো বেড়ে গেলো।

জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, সোমবার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে ফরিদপুর জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম (পিপিএম বার)। সভায় ফরিদপুর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, তদন্ত কেন্দ্র ও ফাঁড়ির ইনচার্জগণ এবং বিভিন্ন পদবীর পুলিশ সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন। উক্ত সভায় সাহসী ও বুদ্ধিদীপ্ত ভূমিকার ফলশ্রুতিতে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ডাকাত গ্রেফতার ও হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার, পরোয়ানা নিষ্পত্তি, প্রসিকিউশন দাখিল, মামলা নিষ্পত্তি, দাপ্তরিক কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পাদনসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখায় দায়িত্বশীল ভূমিকা, পেশাদারিত্ব ও কর্মস্পৃহার জন্য প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, প্রশাসন ও অর্থ, ফরিদপুর (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ক্রাইম এন্ড অপস, ফরিদপুর (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) শৈলেন চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (সদর সার্কেল) মো. সালাউদ্দিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) তালাত মাহমুদ শাহানশাহ, ফরিদপুর, সহকারী পুলিশ সুপার, (নগরকান্দা সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান শাকিল সহ ফরিদপুরসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন সংস্থা হতে আগত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

‎ফারুক মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, হেমায়েত মাতুব্বর একটি জমি বাচ্চু চোকদারের কাছে বিক্রি করেন কিন্তু জমি বুঝিয়ে দিচ্ছিল না। যার কারনে আজ পুলিশের উপস্থিতি শালিস হয়েছিল এবং আগামী সোমবার মাপজোপের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যায়ে হেমায়েত মাতুব্বরের ভাই ফয়সাল মাতুব্বর, আসলাম সহ ১০ থেকে ১৫ জন এসে ঝামেলা করতে থাকে। এক পর্যায়ে তাঁরা আমার লোকজনকে ধাওয়া দিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট করে। আমার অফিসেও ভাঙচুর করেছে। তাঁরা হুমকি-ধমকি দিয়ে বলতেছে, এদেশে বিএনপির লোকজন থাকতে পারবে না। ‎ ‎তিনি বলেন, আমি বিএনপি করার কারনে বিগত ১৭ বছর বাড়ি ছাড়া হয়েছি। এখনও আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছে। আমাদের নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। এই হেমায়েত বিস্ফোরক মামলার আসামী, বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) গাড়ি ভাঙচুরের আসামীও। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমি তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য করে দেন

© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!