1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধে ফরিদপুরে সচেতনতামূলক সভা বোয়ালমারীতে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগ : বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি অনুষ্ঠিত মধুখালীতে আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে বাণিজ্য মেলা ও বৈশাখী উৎসবের উদ্বোধন যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রী হত্যা : ফরিদপুরে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শ্বশুরবাড়িতে জামাইদের তাণ্ডব: ঘোড়া ও নগদ টাকাসহ মালামাল লুট সালথায় মাদক ব্যাবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাবেক সেনা সদস্যের ওপর হামলা ফরিদপুরে র‍্যাবের জালে ৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক মাদক কারবারি সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সালথায় পূর্ব শত্রুতার জেরে পাট ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ, কৃষকের লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির অভিযোগ

ফরিদপুরে ‘নিরপরাধদের’ মুক্তিসহ তিন দাবিতে বিডিআর স্বজনদের মানববন্ধন

আবুলহাসনাত
  • Update Time : রবিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৩০ Time View

পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার জওয়ানদের ‘নিরপরাধ’ দাবি করে তাদের মুক্তি ও পুনঃ তদন্তসহ তিন দাবি নিয়ে ফরিদপুরে মানববন্ধন করেছেন তাদের স্বজনরা।
বিডিআর কল্যাণ পরিষদের আয়োজনে ফরিদপুর প্রেসক্লাব এর সামনে রোববার ১২ জানুয়ারি মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছিলেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দ্রুত বিডিআর সদস্যদের মুক্তি ও হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বিডিআর সদস্যদের পুনর্বাসন ও পুনর্বহালের করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, বিগত ১৬ বছর যাবৎ শেখ হাসিনা সরকারের আমলে তাদের বেআইনিভাবে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই ১৬ বছর আমরা মানবতার জীবনযাপন করছি। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই আমাদের অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে বহিষ্কার করেন এবং বিভিন্ন মেয়াদের সাজা প্রদান করে। শুধু তাই নয়, আমাদের সহকর্মীদের মিথ্যা মামলায় দিনের পর দিন কারাবরণ করতে হযেছে। প্রায় ১৫৭ জন বিডিআর সদস্যদের ফাঁসি হয়েছে এবং বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়ছে।


বিডিআর কল্যাণ পরিষদের আহবায়ক মো. সুলতান আহমেদের সভাপতিত্বে তিন দফা দাবি আদায়সহ চাকুরি পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন বিডিআর সদস্য শহিদুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, আব্দুল মমিন, আব্দুল হান্নান, মোঃ নান্নু মিয়া, আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ। পরে জেলা প্রশাসকের বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
মানববন্ধনে স্বজনদের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়।
সেগুলো হল: ১। পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের শিকার ৫৭ জন সেনা অফিসারসহ ৭৪ জন হত্যাকাণ্ডের পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের এবং নেপথ্যের নায়কদের চিহ্নিত করে অতি দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
২। নির্দোষ প্রত্যেক বিডিআর সদস্যর মুক্তি, ১৮টি স্পেশাল কোর্টের মাধ্যমে গণহারে গ্রেপ্তার করে যাদেরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে তাদের সবাইকে সরকারি সব ধরনের সুযোগ সুবিধাসহ পুনরায় চাকরিতে পুনর্বহাল করা।
৩। তদন্ত কমিশনকে স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং নির্ভয়ে কাজ করার জন্য প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত ২ এর (ঙ) ধারা বাতিল করা।
উল্লেখ: ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে ওই ঘটনা।
এই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে ৪৬৮ জনের মুক্তি আটকে আছে।
হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। তাতে ১৫২ জনের ফাঁসি, ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ২৭৮ জন।
২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর সেই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের রায়ও হয়ে যায় হাই কোর্টে। তাতে ১৩৯ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় ১৮৫ জনকে। আরো ২২৮ জনকে দেওয়া হয় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা। খালাস পান ২৮৩ জন।


হাই কোর্টের রায়ের আগে ১৫ জনসহ সব মিলিয়ে ৫৪ জন আসামি মারা গেছেন। হত্যা মামলায় হাই কোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২২৬ জন আসামি আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন। অন্যদিকে হাই কোর্টে ৮৩ জন আসামির খালাস এবং সাজা কমানোর রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব আপিল ও লিভ টু আপিল এখন শুনানির অপেক্ষায়।
অন্যদিকে বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৮৩৪ জন আসামির বিরুদ্ধে বিচারকাজ শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। কিন্তু মাঝপথে বিস্ফোরক মামলার কার্যক্রম এক প্রকার স্থগিত রেখে শুধু হত্যা মামলার সাক্ষ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ। যে কারণে এই মামলার বিচার ঝুলে যায়।
ক্ষমতার পালাবদলের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার তদন্ত পুনরায় শুরুর দাবি উঠছে। গত ১৯ ডিসেম্বর অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যান শহীদ পরিবারের সদস্যরা।


পনের বছর আগে এই হত্যাকাণ্ড পুনঃতদন্তের জন্য গত ২৪ ডিসেম্বর আ ল ম ফজলুর রহমানকে প্রধান করে কমিশন গঠন করে ৯০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে সরকার।
এর মধ্যে গত ৮ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জমায়েত হতে থাকেন তখনকার ঘটনার প্রেক্ষিতে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্য এবং কারাগারে থাকা সদস্যদের পরিবাররা।
তারা সেখানে মানববন্ধন করে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহাল এবং কারাগারে থাকা সদস্যদের ‘অবিলম্বে’ মুক্তির দাবি জানান। পরে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিতে তার বাসভবন যমুনা অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করলেও, যা আটকে দিয়েছিল পুলিশ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

‎ফারুক মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, হেমায়েত মাতুব্বর একটি জমি বাচ্চু চোকদারের কাছে বিক্রি করেন কিন্তু জমি বুঝিয়ে দিচ্ছিল না। যার কারনে আজ পুলিশের উপস্থিতি শালিস হয়েছিল এবং আগামী সোমবার মাপজোপের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যায়ে হেমায়েত মাতুব্বরের ভাই ফয়সাল মাতুব্বর, আসলাম সহ ১০ থেকে ১৫ জন এসে ঝামেলা করতে থাকে। এক পর্যায়ে তাঁরা আমার লোকজনকে ধাওয়া দিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট করে। আমার অফিসেও ভাঙচুর করেছে। তাঁরা হুমকি-ধমকি দিয়ে বলতেছে, এদেশে বিএনপির লোকজন থাকতে পারবে না। ‎ ‎তিনি বলেন, আমি বিএনপি করার কারনে বিগত ১৭ বছর বাড়ি ছাড়া হয়েছি। এখনও আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছে। আমাদের নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। এই হেমায়েত বিস্ফোরক মামলার আসামী, বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) গাড়ি ভাঙচুরের আসামীও। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমি তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য করে দেন

© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!