ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। পরকীয়া সম্পর্কের টানাপোড়েন ও ধর্ষণের অভিযোগ তুলে আপন ভাতিজার লিঙ্গ কর্তন করেছেন এক গৃহবধূ। বর্তমানে ওই যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের সীতারামপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী যুবকের নাম ইমামুল, তিনি ওই গ্রামের হাফিজার শেখের ছেলে। অভিযুক্ত নারীর নাম জেসমিন (২৭), তিনি ইমামুলের আপন চাচা মুজিবুর শেখের স্ত্রী। উল্লেখ্য যে, ইমামুল এবং তার চাচা মুজিবুর শেখ—উভয়ই সৌদি প্রবাসী।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চাচা মুজিবুর শেখ প্রবাসে থাকার সুযোগে গত ৩ বছর ধরে ইমামুলের সাথে তার চাচি জেসমিনের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি ইমামুল সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পর তাদের এই সম্পর্কের জেরে গত বুধবার দিবাগত রাতে তিনি জেসমিনের ঘরে যান।
অভিযুক্ত জেসমিনের দাবি, রাতে ঘরে ঢুকে ইমামুল তাকে জোরপূর্বক ৫ বার ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে তিনি ব্লেড দিয়ে ইমামুলের লিঙ্গ কেটে দেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম অবস্থায় ইমামুলকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সার্বিক বিষয়ে মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি এখনো অবগত নন। তিনি বলেন,”বিষয়টি আমার জানা নেই, এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। আমি থানার বাইরে পেট্রোল ডিউটিতে ছিলাম। অভিযোগ পেলে দ্রুত অফিসার পাঠিয়ে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
চাচা প্রবাসে থাকা অবস্থায় স্ত্রী ও ভাতিজার এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে কাজ করবে বলে জানা গেছে।