1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রয়োজনে রক্ত ও জীবন দিয়েও হকের পথে বিজয়ের চেষ্টা করবো—ইনশাআল্লাহ: শাহ আকরাম আলী সালথার যদনন্দী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ধানের শীষের বিশাল মিছিল সালথায় চ্যানেল এস’র বর্ষপূর্তি উদযাপন মুকসুদপুরে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের পথসভা বিএনপি কখনও প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না : শামা ওবায়েদ সালথায় ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী আকরামুজ্জামানের গণসংযোগ ‎ এক দল ক্ষমতায় থাকলেও অন্যকে হয়রানি করা ইসলাম সমর্থন করে না: আল্লামা শাহ আকরাম আলী মধুখালীতে কারখানায় সেনা অভিযান,অস্ত্রসহ আটক-১ সালথায় যুব জমিয়ত কমিটির সভা: ভ্রান্ত আকিদা প্রতিরোধে কর্মসূচি ঘোষণা সিজারেই প্রসূতির মৃত্যু অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের, সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপলেন ডা.শাহীন

বোয়ালমারীতে সেনা সদস্যকে মারধরের ঘটনার আসামি মাদকসহ গ্রেপ্তার

বোয়ালমারী প্রতিনিধি
  • Update Time : বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫
  • ২২১ Time View

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে শহিদুল মুন্সি নামে এক সেনা সদস্যকে মারধরের ঘটনায় মিরাজ বিশ্বাস (২২) ও আল-আমিন (২২) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (২৭ মে) গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোয়ালমারী থানার ওসি মাহমুদুল হাসান।

এ ঘটনায় গতকাল সোমবার ওই সেনা সদস্য শহিদুল মুন্সির বাবা নুর আলম মুন্সি বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে বোয়ালমারী থানায় দস্যুতার মামলা করেন। মামলার পর তদন্ত কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক শিমুল শেখ অভিযান চালিয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে থেকে মিরাজ বিশ্বাস ও আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করেন।

থানা ও মামলা সূত্রে জানা যায়, জেলার বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের রামদিয়া গ্রামের নুর আলম মুন্সির ছেলে শহিদুল মুন্সি সেনাবাহিনীর সদস্য। তিনি গত ২৯ এপ্রিল এক মাসের ছুটিতে বাড়িতে আসেন। ২৫ মে দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে কাদিরদী বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলযোগে রওনা হন। কাদিরদী কলেজের পাশে তেলের পাম্পের সামনে মাঝকান্দি-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কে পৌঁছালে কাদিরদী গ্রামের মিরাজ বিশ্বাস, মো. আল-আমিন, অনিক (২১) ও তুষার (২০) তার গতিরোধ করে। তারা শহিদুল মুন্সিকে মারধর করে তার মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, ডেবিট কার্ড ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।

ঘটনার পরদিন, শহিদুল মুন্সির বাবা নুর আলম মুন্সি বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে দস্যুতার মামলা করেন। মামলার পর থানা সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে থেকে মিরাজ ও আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া মোটরসাইকেল এবং পকেট থেকে ৫ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আরও একটি মামলা করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান জানান, কাদিরদী এলাকায় এক সেনা সদস্যকে মারধর ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় দস্যুতার মামলা হয়েছে। এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধারকৃত ইয়াবার জন্য পৃথক একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!