1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লক্ষীপাশার বনখেকো তেলাব উজাড় করে দিচ্ছে গোপালগঞ্জের বন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুকে সালথা উপজেলা শিক্ষক সমিতির শুভেচ্ছা জাতীয় স্বার্থই হবে কূটনীতির মূল ভিত্তি, বিশ্বে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান গড়তে চান : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ‎ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন ফকির তাইজুর রহমান শামা ওবায়েদ রিংকু পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় সালথার সোনাপুরে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ সালথায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশের অভিযান সবাইকে সাথে নিয়ে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ করতে চাই : ডঃ মোঃ ইলিয়াস মোল্লা কোটালিপাড়া পৌরসভার বর্জ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস অভয়াশ্রম ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত শামা ওবায়েদ রিংকু  ফরিদপুর-২ আসনে বিপুল ভোটে শামা ওবায়েদ বিজয়ী ‎

মুকসুদপুরে যত্রতত্র দাহ্যপদার্থ ও এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

সোহেল রানা
  • Update Time : সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৪০১ Time View

মুকসুদপুর বাজারসহ পৌরসভাধীন ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাট-বাজার ও জনবহুল স্থানে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের সিলিন্ডার, অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল ও মবিলসহ বিভিন্ন দাহ্যপদার্থ। সরকারি কোন ধরনের নীতিমালার তোয়াক্কা না করে প্রক্যাশ্যে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডারসহ এসব দাহ্যপদার্থ। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করেন সচেতনমহল।
বিশেষ করে মুকসুদপুর-জলিলপাড় আঞ্চলিক সড়কের বোয়ালিয়া, বালিয়াকান্দি, উজানি, জলিলপাড়, অন্যদিকে বনগ্রাম, বাটিকামারি , বরইতলা, নতুনবাজার, মুকসুদপুর থেকে রাচপাট সড়কের প্রতিটি বাজারসহ গ্রামের হাট-বাজারগুলোতে প্রকাশ্যে এবং খোলামেলাভাবে বিক্রি হচ্ছে অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল ও মবিলসহ বিভিন্ন দাহ্যপদার্থ ও গ্যাস সিলিন্ডিার। অথচ গ্যাস সিলিন্ডার ও দাহ্যপদার্থ বিক্রিতে বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নিবন্ধন থাকা বাধ্যতামূলক।
মুকসুদপুর বাজারসহ ইউনিয়নের হাটবাজারগুলোতে দেখা গেছে- প্রধান রাস্তার পাশে, মুদি দোকান, হার্ডওয়ার এন্ড স্যানেটারী দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবাধে বিক্রি হচ্ছে, বিভিন্ন কোম্পানির গ্যাস সিলিন্ডার। এছাড়া বিভিন্ন দোকানে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বাজারে লিটার হিসেবে বিশেষ করে দুই লিটার, এক লিটার অথবা আধা লিটারসহ বিভিন্ন ওজনের প্লাস্টিকের বোতলে পেট্রোল, ডিজেল ও মবিলে পসরা সাজিয়ে রাখা হয়েছে।
এসব দোকান থেকে যে কেউ ইচ্ছা করলেই বোতলভর্তি দাহ্যপদার্থ কিনতে পারেন এবং কিনছেন। গ্যাস সিলিন্ডার ও দাহ্যপদার্থের এ সহজলভ্যতা এবং অবাধে বিক্রির ফলে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। যার ফলে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সাধারণ মানুষ।
সরকারি বিধি মোতাবেক গ্যাস সিলিন্ডার, পেট্রোল, ডিজেল ও মবিলসহ দাহ্যপদার্থ বিক্রির জন্য কমপক্ষে পাকা মেঝেসহ আধা-পাকা ঘর, ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপণ সক্ষমতা সংক্রান্ত লাইলেন্স ও অগ্নিনির্বাপণ সিলিন্ডার এবং মজবুত ও ঝুঁকিমুক্ত সংরক্ষণাগার থাকতে হবে। একজন ব্যবসায়ী ওই সব শর্ত পূরণ করলেই কেবল গ্যাস সিলিন্ডারসহ বিস্ফোরক দ্রব্য বা দাহ্যপদার্থ বিক্রির নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
আর গ্যাস সিলিন্ডার ও দাহ্যপদার্থ বিক্রি করতে হলে জাতীয় পরিচয়পত্র, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক ট্রেড লাইসেন্স ও টিন সার্টিফিকেটের পাশাপাশি দোকানের অবস্থান চিহ্নিত ম্যাপ (মানচিত্র), ফায়ার লাইসেন্স, বিস্ফোরক লাইসেন্স ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ফাউন্ডেশন কর্তৃক সনদ থাকা বাধ্যতামূলক।
এর মধ্যে বিস্ফোরক লাইসেন্স ছাড়া কোনো দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বা দাহ্যপদার্থ বিক্রি করা যাবে না। অথচ মুকসুদপুর বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারগুলোতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডারসহ দাহ্যপদার্থ। হাতে গোনা দুই/চারটি দোকানে সম্পূর্ণ কাগজপত্র থাকলেও বেশিরভাগ দোকানে নেই কোনপ্রকার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।
২০০৩ সালের দাহ্যপদার্থ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি লাইসেন্স না নিয়ে বিস্ফোরক দ্রব্যের ব্যবসা করে, তার ৩ বছরের কারাদন্ড ও অতিরিক্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হওয়ার আইনের বিধান রয়েছে। প্রয়োজনে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সব মালামাল বাজেয়াপ্ত করা যাবে বলেও আইনে বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সচেতনমহলের সাথে কথা হলে তারা বলেন, এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও দাহ্যপদার্থ বিক্রির ক্ষেত্রে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকা দরকার। নজরদারি না থাকার কারণে যত্রতত্র চলছে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার ও দাহ্যপদার্থ বিক্রি। ফলে সাধারণ মানুষ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
মুকসুদপুর বাজারের দাহ্যপদার্থ বিক্রয়কারী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, তার নিজের ও বন্ধুদের কয়েকটি গাড়ি রয়েছে। প্রতিদিন শত লিটারেরও বেশি তেল লাগে। তাই তিনি নিজে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিয়ে তেল বিক্রি করছেন। এতে নিজের চাহিদাও পূরণ হচ্ছে, আবার বিক্রি করে ব্যবসাও করছেন।
এসময় তিনি বলেন, তার ফায়ার লাইসেন্স রয়েছে। বিস্ফোরক লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য অনুমোদন নেই। তবে তিনি এসব কাগজপত্রের (লাইসেন্স/সনদ/অনুমতিপত্র) জন্য আবেদন করেছেন/করবেন।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতা ও অপর একজন দাহ্যপদার্থ বিক্রেতা জানান, তারা ছোট ব্যবসায়ী। আইন সম্পর্কে কোন ধারণা তাদের নেই। কাস্টমারের (ক্রেতা) চাহিদা থাকায় ডিলারদের কাছ থেকে পাইকারি গ্যাস সিলিন্ডার এবং অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল ও মবিল এনে খুচরা বিক্রি করছেন।
মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিসের লিডার আনোয়ার হোসেন জানান, সরকারি অনুমিত (লাইসেন্স) ছাড়া কেউ গ্যাস সিলিন্ডার ও দাহ্যপদার্থ বিক্রি করার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, যে হারে দুর্ঘটনা বাড়ছে, তা থেকে রক্ষা পেতে হলে, সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!