গোপালগঞ্জ জেলার ওড়াকান্দি ইউনিয়নের তিলছাড়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে চলছে বন উজাড়ের অভিযোগ। একুশে ফেব্রুয়ারি দুপুরে যখন সর্বস্তরের মানুষ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় পাশের নড়াইল জেলার লক্ষীপাশা এলাকা থেকে আগত তেলাব নামের এক ব্যক্তি গাছ কেটে ট্রাকে তোলার কাজে ব্যস্ত ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাস্থলে থাকা কাঠবোঝাই ট্রাকে ছিল না কোনো বৈধ কাগজপত্র।
তাদের ভাষ্যমতে—
কাঠ পরিবহনের টিবি চালান ছিল না
ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের অনুমোদন ছিল না
সদস্যের স্বাক্ষরযুক্ত কোনো কাগজ পাওয়া যায়নি
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পারমিট (Transit Pass) অনুপস্থিত ছিল
যা বাংলাদেশের প্রচলিত বন আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বন বিভাগের সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কাশিয়ানী উপজেলার বন কর্মকর্তা আক্তার সাহেবকে অবহিত করা হলে তিনি জনবল সংকটের কথা জানান বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।
বন সংরক্ষণ ও কাঠ পরিবহন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ বন বিভাগ এ ধরনের অভিযোগ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা রাখে।
স্থানীয়দের মধ্যে ভীতি
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কেউ কথা বলতে সাহস পান না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বন উজাড় চললেও কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে ওঠেনি।
পরিবেশগত ঝুঁকি
বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে নির্বিচারে গাছ কাটার ফলে—
পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হয়
তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাড়ে
জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়
ভবিষ্যৎ প্রজন্ম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ে
অতিরিক্ত বন উজাড়ের ফলে বায়ুদূষণ, নতুন রোগের বিস্তার এবং প্রাকৃতিক দু