1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সালথায় গণঅধিকার পরিষদের আয়োজনে মাদকবিরোধী সচেতনতা সভা ‎ ‘স্নাতক পাস করে আর বেকার থাকতে হবে না’: ফরিদপুরে কর্মসংস্থানের নতুন রূপরেখা দিলেন অর্থ উপদেষ্টা দেশের ৮০% বর্জ্য যাচ্ছে নদীতে, আধুনিক রিসাইক্লিং জরুরি: বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার সুরলহরি সংগীত একাডেমির উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন মধুখালীতে চৈত্র পূজার অংশ হিসেবে ঐতিহ্যবাহী ‘নীল নাচ’ ও শ্মশান কালীপুজা অনুষ্ঠিত নববর্ষে টেকেরহাটে শতাধিক ব্যবসায়ীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানালো ইউসিবি ব্যাংক বৈশাখী উৎসবেও ‘কিপটামি’: শিক্ষার্থীদের পাতে ১০০ টাকার বাটা মাছ, বিতর্কে অধ্যক্ষ মধুখালীতে আনন্দঘন পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন: বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও পান্তা-ইলিশের উৎসব সালথায় সেতু নির্মাণ : জমি মালিকদের উপস্থিত থাকার আহ্বান ইউএনওর রোটারি ক্লাব অব ফরিদপুরের ৪০তম অভিষেক অনুষ্ঠিত

পদ্মা থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালু ভাঙনের হুমকিতে বাড়িঘর-কৃষিজমি

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
  • Update Time : শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৪৭৩ Time View

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর খেয়াঘাটের অদূরে পদ্মা নদী থেকে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। এতে ভাঙনের হুমকির মুখে পড়েছে নদী তীরবর্তী বাড়িঘর ও কৃষিজমিসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার হাবাসপুর চরপাড়া বেড়িবাঁধের পাশে সাতটি স্থানে বালুর স্তূপ করা হচ্ছে। প্রতিনিয়ত পদ্মার মাঝ থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু কেটে বাল্কহেডের মাধ্যমে নদীর তীর আনা হচ্ছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে নদী তীরবর্তী বাড়িঘর ও ফসলি জমি।

জানা যায়, হাবাসপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপির প্রভাবশালী নেতা লতিফ খাঁর নেতৃত্বে চলেছে এই বালু উত্তোলন। আর এই অবৈধ কাজের দেখভাল করেন স্থানীয় জিয়া মণ্ডল, লেবু খাঁ ও মজনুসহ ২০-৩০ জন।

জিয়া, লেবু ও মজনু নদীর ভেতর নৌকা নিয়ে পাহারা দেয়। বাকিরা বেড়িবাঁধের পাশে বালু চাতালের পাশে থাকে নিরাপত্তায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির দাবি, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে বিএনপির লোকজন এই বালু উত্তোলন করছে। তাদের এই বালুর স্তূপের জন্য আমাদের বাড়ি, ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। তাদের কেউ কিছু বলে সাহস পাচ্ছে না। সবাই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী।

প্রায় সবার নামেই একাধিক হত্যা, চাঁদাবাজি মামলা রয়েছে। শুধু বালু উত্তোলনই নয়, তারা এখন বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে।

বিএনপি নেতা ও হাবাসপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লতিফ খাঁর সঙ্গে কথা হলে তিনি দাবি করেন, তারা বৈধভাবেই বালু কাটছেন। গত ৫ আগস্টের পরে তার এক আত্নীয় মন্ত্রণালয় থেকে বালু উত্তোলনের পাস এনে দিয়েছেন বলে জানান তিনি। সাংবাদিকরা সেখানে গেলে ছবি তুললে ক্যামেরা কেড়ে নেওয়া ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে কেনো? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আপনারা ওখানে কেনো যাবেন? আমরা দীর্ঘ ১৬ বছর কিছু করতে পারিনি। এ বিষয়ে পাংশা অস্থায়ী ক্যাম্পের সেনা কর্মকর্তা নুরুজ্জামানের সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা লতিফ খাঁকে ক্যাম্পে ডেকে এনে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে বলেছি। তিনি আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন আর বালু উত্তোলন করবেন না।

বালু উত্তোলন করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরী বলেন, ‘পাংশা উপজেলার মধ্যে কোনও বালুমহাল নেই। হাবাসপুর পদ্মা নদী থেকে যারা বালু উত্তোলন করছে তারা তা অবৈধভাবে করছে। আমি সেনাবাহিনীকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।’

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!