1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফ্যাসিস্ট আমলের সব সার ডিলার বাতিল: চিফ হুইপ আজ ফরিদপুরে জরুরি বিদ্যুৎ বিভ্রাট : জুম্মার নামাজের সময় থাকবে বিদ্যুৎ সরবরাহ  মুকসুদপুরে শিক্ষিকা সুইটি হকের অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল প্রবাসী স্বামীর অর্ধকোটি টাকা আত্মসাৎ করে একতরফা তালাকের অভিযোগ আলফাডাঙ্গায় বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে গণধর্ষণ, মূলহোতাসহ গ্রেফতার ৩ সদরপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬’ পালিত এনডিসি থেকে ক্যাপস্টোন কোর্স সম্পন্ন করলেন সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ পুষ্টি বৈষম্য দূর করে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান: মধুখালীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত ফরিদপুরের নতুন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম চট্টগ্রামে ছাত্রদলের ওপর হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে বিক্ষোভ ও সমাবেশ চরভদ্রাসনে পুলিশকে আহত করে পালানো সেই কবির খান ঢাকায় গ্রেপ্তার

জমি লিখে না দেওয়ায় বাবার মরদেহ দাফনে বাধা, কবরে শুয়ে পড়লেন ছেলে

বাঙ্গালী খবর রিপোর্ট
  • Update Time : শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪
  • ৬১৬ Time View

নীলফামারীতে জমি লিখে না দেওয়ায় মজিবুর রহমান (৬৮) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার ছেলের বিরুদ্ধে। দাফন আটকাতে বাবার জন্য খোঁড়া কবরে শুয়ে পড়েন তিনি। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে মরদেহ দাফন করা হয়।

গতকাল শুক্রবার (২৯ মার্চ) সদর উপজেলার চাপড়া সরেজমিন ইউনিয়নের জাদুরহাট বাটুলটারী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানান, মজিবর রহমান ৫-৬ বছর ধরে অসুস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

তারা আরও জানান, মজিবুর রহমানের দুই স্ত্রী। প্রথম পক্ষে চার ছেলে এবং দ্বিতীয় পক্ষে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার মোট জমির পরিমাণ ১০ শতাংশ। আট বছর আগে দ্বিতীয় স্ত্রীকে দুই শতাংশ এবং তার ছেলেকে পাঁচ শতাংশ জমি লিখে দেন মজিবর রহমান। বাকি তিন শতক জমি তার প্রথম পক্ষের তিন ছেলে কিনে নেন। তবে ওই জমি রেজিস্ট্রি করা হয়নি। ওই তিন ছেলের একজন নওশাদ আলী হুমকি দিয়েছিলেন মৃত্যুর আগে জমি রেজিস্ট্রি করে না দিলে মরদেহ দাফন করতে দেবেন না। জমি রেজিস্ট্রি করার আগেই মারা যাওয়ায় মরদেহ দাফনে বাধা দেন নওশাদ আলী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চাপড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য (মেম্বার) মাহাবুল ইসলাম বলেন, মজিবর রহমান ও তার ছেলে নওশাদ আলীর মধ্যে ছয় বছর আগে গণ্ডগোল হয়। তখন থেকে বাবা-ছেলের মধ্যে কোনো কথা হতো না। বাবা মজিবর মারা গেলে আজ তার মরদেহ দাফনে বাধা দেন নওশাদ আলী। তিনি দাফনের জন্য খোঁড়া কবরে শুয়ে পড়েন। প্রায় ১৫-২০ মিনিটের মতো শুয়ে ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘পুলিশ এলে কবর থেকে উঠে আসেন নওশাদ আলী। এরপর পাশেই নতুন করে কবর খুঁড়ে দাফন করা হয়। তবে মজিবর রহমানের অন্য ছেলেরা জমির দাবি করেননি। তারা নওশাদকে কবর থেকে ওঠার জন্য বারবার অনুরোধ করেছেন।’
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম বলেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক আছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!