1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সালথায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত নিউজের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সালথায় পূর্ব শত্রুতার জেরে পাট ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ, কৃষকের লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির অভিযোগ তেল পাচারের ভিডিও করায় সদরপুর থানা চত্বরে সাংবাদিকদের ওপর হা’ম’লা ‎ফারুক মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, হেমায়েত মাতুব্বর একটি জমি বাচ্চু চোকদারের কাছে বিক্রি করেন কিন্তু জমি বুঝিয়ে দিচ্ছিল না। যার কারনে আজ পুলিশের উপস্থিতি শালিস হয়েছিল এবং আগামী সোমবার মাপজোপের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যায়ে হেমায়েত মাতুব্বরের ভাই ফয়সাল মাতুব্বর, আসলাম সহ ১০ থেকে ১৫ জন এসে ঝামেলা করতে থাকে। এক পর্যায়ে তাঁরা আমার লোকজনকে ধাওয়া দিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট করে। আমার অফিসেও ভাঙচুর করেছে। তাঁরা হুমকি-ধমকি দিয়ে বলতেছে, এদেশে বিএনপির লোকজন থাকতে পারবে না। ‎ ‎তিনি বলেন, আমি বিএনপি করার কারনে বিগত ১৭ বছর বাড়ি ছাড়া হয়েছি। এখনও আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছে। আমাদের নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। এই হেমায়েত বিস্ফোরক মামলার আসামী, বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) গাড়ি ভাঙচুরের আসামীও। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমি তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য করে দেন মুকসুদপুরে জায়গা দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে কাশিয়ানিতে শশুরকে হত্যার অভিযোগে জামাতার যাবজ্জীবন জেল মধুখালীতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা: ‘ধর্ষণের’ অভিযোগে সৌদি প্রবাসীর লিঙ্গচ্ছেদ করল চাচি উন্নয়ন ও স্বচ্ছতার বার্তা : সালথায় সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনও দবির উদ্দিনের মতবিনিময় মধুখালীতে ট্রেনের নিচে পিষ্ট দুই সহোদর: জমজ দুই শিশুকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ মা-বাবা মধুখালীতে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি: ব্যবসায়ীকে জরিমানা

সালথায় আওয়ামীলীগ বিএনপির সংঘর্ষে অসুস্থ্য ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭০ জনের নামে মামলা

ফরিদপুর প্রতিনিধি
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩৭৫ Time View

ফরিদপুর সালথা উপজেলায় গত ২এপ্রিল আওয়ামীলীগ বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় অসুস্থ্য মাঝারদিয়া ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৭০ জনের নামে মামলা হয়েছে।মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হারুন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া বাদী হয়ে এই মামলা করেন।
সেদিনের আওয়ামীলীগ বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত এবং বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে অসুস্থ ইউপি চেয়ারম্যান আফসার মাতুববরকে প্রধান আসামী করে ৭০ জনের মামলা করা হয়েছে।
ঘটনা প্রকাশে জানা যায়, গত ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরুটিয়া গ্রামে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। স্থানীয়রা জানান, এতে এক পক্ষের নেতৃত্ব দেন মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি হারুন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া এবং অপরপক্ষের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আফছার মাতুব্বরের সমর্থক বেলায়েত মোল্যা।
তবে ঘটনার দিন দুপুর থেকেই অসুস্থ্য ইউপি চেয়ারম্যান আফসার মাতুববর ফরিদপুর শহরে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থান করেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানায়। এর আগে আফসার মাতুববর ফরিদপুর ডায়াবেটিকস হাসপাতালে ও ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসার নেন এবং তিনি দীর্ঘদিন জটিল রোগে ভূগছেন।

জানা যায়, আগে থেকেই দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ ছিল। ঘটনার দিন গত ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ- সভাপতি হারুন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া, টিটুল মেম্বার, তুহিন মিয়া, আকরাম শেক সহ ১৫-২০ জন সকাল ১০ টার দিকে স্থানীরা আজিজুলের বাড়ির ওপর এসে বলে ভালোই তো আছিস, অনেক পিয়াজ পাইছিস। আমাদের ৩ লাখ টাকা দিবি তা না হলে তোদের এলাকা থেকে বিতাড়িত করে দিবো। ঐ টাকা না দেওয়ায় তারা আজিজুলকে রানদা দিয়ে মাথা লক্ষ করিয়া কোপ মারে উক্ত কোপ ডান চোখের নিচে লেগে হাড় কাটা রক্তাক্ত জখম হয়।এর পর স্থানীরা আজিজুলকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়। এর সূত্র ধরে ফের বিকালে দুই গ্রুপে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এ সময় উভয় পক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সমর্থক কৃষক কবির শেখের খড়ের গাদায় আগুন দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এবিষয় সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতাউর রহমান জানান মাঝারদিয়ার সংঘর্ষে ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং একজন আসামী গ্রেপ্তার হয়েছে,এলাকার পরিস্থতি শান্ত আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

‎ফারুক মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, হেমায়েত মাতুব্বর একটি জমি বাচ্চু চোকদারের কাছে বিক্রি করেন কিন্তু জমি বুঝিয়ে দিচ্ছিল না। যার কারনে আজ পুলিশের উপস্থিতি শালিস হয়েছিল এবং আগামী সোমবার মাপজোপের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যায়ে হেমায়েত মাতুব্বরের ভাই ফয়সাল মাতুব্বর, আসলাম সহ ১০ থেকে ১৫ জন এসে ঝামেলা করতে থাকে। এক পর্যায়ে তাঁরা আমার লোকজনকে ধাওয়া দিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট করে। আমার অফিসেও ভাঙচুর করেছে। তাঁরা হুমকি-ধমকি দিয়ে বলতেছে, এদেশে বিএনপির লোকজন থাকতে পারবে না। ‎ ‎তিনি বলেন, আমি বিএনপি করার কারনে বিগত ১৭ বছর বাড়ি ছাড়া হয়েছি। এখনও আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছে। আমাদের নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। এই হেমায়েত বিস্ফোরক মামলার আসামী, বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) গাড়ি ভাঙচুরের আসামীও। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমি তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য করে দেন

‎ফারুক মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, হেমায়েত মাতুব্বর একটি জমি বাচ্চু চোকদারের কাছে বিক্রি করেন কিন্তু জমি বুঝিয়ে দিচ্ছিল না। যার কারনে আজ পুলিশের উপস্থিতি শালিস হয়েছিল এবং আগামী সোমবার মাপজোপের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যায়ে হেমায়েত মাতুব্বরের ভাই ফয়সাল মাতুব্বর, আসলাম সহ ১০ থেকে ১৫ জন এসে ঝামেলা করতে থাকে। এক পর্যায়ে তাঁরা আমার লোকজনকে ধাওয়া দিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট করে। আমার অফিসেও ভাঙচুর করেছে। তাঁরা হুমকি-ধমকি দিয়ে বলতেছে, এদেশে বিএনপির লোকজন থাকতে পারবে না। ‎ ‎তিনি বলেন, আমি বিএনপি করার কারনে বিগত ১৭ বছর বাড়ি ছাড়া হয়েছি। এখনও আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছে। আমাদের নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। এই হেমায়েত বিস্ফোরক মামলার আসামী, বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) গাড়ি ভাঙচুরের আসামীও। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমি তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য করে দেন

‎ফারুক মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, হেমায়েত মাতুব্বর একটি জমি বাচ্চু চোকদারের কাছে বিক্রি করেন কিন্তু জমি বুঝিয়ে দিচ্ছিল না। যার কারনে আজ পুলিশের উপস্থিতি শালিস হয়েছিল এবং আগামী সোমবার মাপজোপের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যায়ে হেমায়েত মাতুব্বরের ভাই ফয়সাল মাতুব্বর, আসলাম সহ ১০ থেকে ১৫ জন এসে ঝামেলা করতে থাকে। এক পর্যায়ে তাঁরা আমার লোকজনকে ধাওয়া দিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট করে। আমার অফিসেও ভাঙচুর করেছে। তাঁরা হুমকি-ধমকি দিয়ে বলতেছে, এদেশে বিএনপির লোকজন থাকতে পারবে না। ‎ ‎তিনি বলেন, আমি বিএনপি করার কারনে বিগত ১৭ বছর বাড়ি ছাড়া হয়েছি। এখনও আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছে। আমাদের নিরীহ মানুষের ওপর হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। এই হেমায়েত বিস্ফোরক মামলার আসামী, বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের (পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) গাড়ি ভাঙচুরের আসামীও। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমি তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য করে দেন

© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!