ফরিদপুরে আরিফ বিল্লাহ নামে এক তালাকপ্রাপ্ত বিয়ে পাগল স্বামী তার ডির্ভোসী স্ত্রী মাদ্রাসার শিক্ষিকার বিরুদ্ধে
বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে
মিথ্যা অভিযোগ তুলে সম্মানহানী করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তালাকপ্রাপ্ত স্বামী আরিফ বিল্লাহ গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার রাজপাট গ্রামের হেমায়েত মোল্যা হিমুর ছেলে।
আরিফ বিল্লাহ এর ৭ নাম্বার ডির্ভোসী স্ত্রী মাদ্রাসার শিক্ষিকা লাবিবার বিরুদ্ধে সম্প্রতি জাগ্রত বাংলাদেশ ও আর টিভি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত একটি নিউজ মিথ্যা দাবি করে লাবিবা আক্তার জানান, আমার বিরুদ্ধে আরটিভি ও জাগ্রত বাংলাদেশ দুটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত নিউজ সম্পূর্ণ বানোয়াট, মিথ্যা ও ভিত্তিহিন। আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনকারী আরিফ বিল্লাহ একজন মিথ্যাবাদী, বিবেকহীন, খুবই জঘন্য প্রকৃতির মানুষ। ২০১৯ সালে তার সাথে আমার বিয়ে হয়।
বিয়েরপর আমাদের পরাপর ৩ টি সন্তান জন্ম হওয়ারপর আরিফ আমার সন্তানদের ভাত কাপড় না দেওয়া ও কোনপ্রকার খোজখবর না রাখার কারণে
আমি গত ফেব্রুয়ারী মাসের ১০ তারিখে স্থানীয় কাজীর মাধ্যমে তালাক দিয়েছি।
আরিফ বিল্লাহ আমাকে বিয়ে করার আগে আরও ৬ টি বিয়ে করেছিলো।
তার এই খারাপ জঘন্য আচরনের কারণে একে একে সবকটি বউ সংসার ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। আমি বিয়ের পর জানতে পারি আরিফ আমার আগেও আরো ৬টি বিয়ে করেছিলো। তারপরও আমি আরিফের সাথে সারাজীবন সংসার করতে চেয়েছিলাম। আরিফ পরাপর তিনটি সন্তান জন্ম দিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় ভাত কাপড় ও সামান্য চাহিদা না মিটিয়ে সবসময় মারধর করতো। আমার ছোট ছোট অবুঝ সন্তানদের উপর অমানুষিক নির্যাতন সইতে না পেরে নরপশু পিতার হাত থেকে নিষ্পাপ তিন শিশুকে বাচানোর জন্য আমার বাবার বাড়ী চলে আসি।
পরে আরিফ বিল্লাহর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করি।
মামলার সূত্র ধরেই প্রায় এক বছর আগে ইউনুছ মিয়া নামে এক জনের সাথে পরিচয় হয়।
ইউনুছ মিয়া নিজেকে পুলিশ অফিসার পরিচয় দিয়ে আমার স্বরলতার সুযোগ নিয়ে আইনি সহায়তা দেওয়ার কথা বলে
সালথা থানায় যেতে বলে। পরের দিন আমি সালথায় পৌছালে ইউনুছ মিয়া কৌশলে আমাকে থানায় না নিয়ে ডাকবাংলোতে নিয়ে বিস্কুট ও এক গ্লাস ড্রিংস খেতে দেয়। ড্রিংস খেয়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পর ইউনুছ আমার শরিরের সবপোশাক খুলে আপত্তিকর ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারন করে পরবর্তিতে ব্লাকমেইল করে আমাকে বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে নিয়ে নিয়মিত ভাবে ধর্ষণ করে। বিষয়টি আমার মা-বাবাকে জানানোরপর ইউনুছ আমার মাকে ২৫ লাখ টাকার মধ্যে জায়গা জমি কিনে বাড়ীঘর করে দিয়ে আমাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। এ প্রস্তাবে আমার পরিবার রাজি হলেও পরবর্তিতে পিছিয়ে যায় প্রতারক ইউনুছ। পরে পূর্বের নিয়মে আবার আমাকে ব্লাক মেইল ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অসামাজিক কাজের জন্য ফের আবাসিক হোটেলে আসতে বলে।
বিষয়টি আমার মা লিখিত আকারে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ফরিদপুর জেলা শাখা, বাংলাদেশ সাংবাদিক ফোরাম ও শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদকে জানানোরপর গত ফেব্রুয়ারী মাসের ১৪ তারিখে ফরিদপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ২৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্যকরিয়া
আমাদের উভয় পক্ষের সম্মতিতে সদর কাজির মাধ্যমে বিবাহ দেওয়া হয়।
বিয়েরপর দিন ইউনুছ আমাকে বাবার বাড়ী পাঠিয়ে দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ করে লোকভাড়া করে আমাকে নানাভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে ।
এরই ধারাবাহিকতায় ইউনুছ মিয়া আমার তালাকপ্রাপ্ত স্বামি আরিফ বিল্লাহকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করছে।
ইউনুছ মিয়া বাগেরহাট জেলার ৩ নং কারাপাড়া ইউনিয়নের বাদেকারাপাড়া গ্রামের মোঃ মুনসুর আলী মোল্যার ছেলে।ভিকটিম লাবিবা ষড়যন্ত্রকারী আরিফ বিল্লাহ ও তার বর্তমান স্বামি ইউনুছ মিয়ার শাস্তি কামনা করেন।
একাধিক বিয়ে করে সন্তান জন্মদিয়ে তাদের ভাত কাপড় না দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আরিফ বিল্লাহ বলেন, আমি যতখুশি বিয়ে করবো তাতে আপনাদের কি?