ফরিদপুরের আকাশে ঈদের চাঁদ না উঠলেও, মার্কেটে ভিড় চাঁদনি রাতের মতো! পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ফরিদপুর শহরের বিপণিবিতানগুলো এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর।
ফরিদপুরের রমজানের শুরু থেকেই কেনাকাটা শুরু হলেও বর্তমানে তা পূর্ণ গতি পেয়েছে। সকাল থেকে রাত অবধি শহরের প্রতিটি মার্কেটে তিল ধারণের জায়গা নেই।
শহরের সবচেয়ে বড় কেনাকাটার কেন্দ্র নিউ মার্কেট, চকবাজার, হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজার এবং আদর্শ মার্কেটে ক্রেতাদের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও গোয়ালচামট এলাকার বাইতুল মোকাদ্দেম মার্কেট এবং জনতা ব্যাংক মোড়ের অস্থায়ী দোকানগুলোতেও নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
পোশাক ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবারের ঈদে পোশাকে নতুনত্বের ছোঁয়া থাকায় বিক্রি অনেক ভালো।নারীদের পছন্দের বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ি, থ্রি-পিস, লেহেঙ্গা এবং ভিনদেশি সালোয়ার কামিজ ও পুরুষদের পছন্দের বাহারি ডিজাইনের পাঞ্জাবি, লিনেন শার্ট এবং জিন্স প্যান্ট এবং শিশুদের পোশাক গরমের কথা মাথায় রেখে আরামদায়ক সুতি ও উজ্জ্বল রঙের পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
এছাড়াও ফরিদপুরের ব্রাহ্ম সমাজ সড়কে আয়োজিত ‘হলিডে মার্কেট’-এ শুরু হয়েছে বিশেষ ‘রামাদান ফেস্ট’। এখানে শহরের নারী উদ্যোক্তারা তাদের হাতে তৈরি পোশাক, ঘর সাজানোর সামগ্রী এবং ঘরোয়া খাবারের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে এখানে তরুণী ও গৃহিণীদের ভিড় থাকছে চোখে পড়ার মতো।
চকবাজার কাপড় ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় এবার বেচাকেনা বেশ সন্তোষজনক। তবে কিছু ক্রেতার অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় পোশাকের দাম কিছুটা বেড়েছে।
অন্যদিকে, যারা ভিড় এড়াতে চান, তারা আগেভাগেই কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন।ঈদের বাজার ঘিরে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং যানজট নিরসনে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ করে শপিং মলগুলোর সামনে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।