গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ৬ নং কুশলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সবুজ ফকির। জনসেবার প্রত্যয়, তরুণ সমাজের উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে তিনি ইউনিয়নের মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন।
নিজস্ব ব্যবসা পরিচালনার ব্যস্ততা পেছনে রেখে শহর থেকে গ্রামে ফিরে এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সবুজ ফকির। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবা সহজলভ্য করাই তাঁর অন্যতম লক্ষ্য। তিনি মনে করেন, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব নির্বাচিত হওয়াই ইউনিয়নবাসীর বৃহত্তর স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় পর্যায়ে জনহিতকর কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার কথা উল্লেখ করে সবুজ ফকির ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে মানুষের সেবা করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। তাঁর অঙ্গীকার, নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে এসে কোনো নাগরিক যেন অযথা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দেবেন। সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং পরিষদের সেবাকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন তিনি।
যুবসমাজের উন্নয়ন সবুজ ফকিরের পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো, তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সহায়তা করা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দিতে চান।
পাশাপাশি ইউনিয়নের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নেও বিশেষ নজর দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি। সাধারণ মানুষ যাতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পেতে ভোগান্তিতে না পড়েন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার বিষয়টিও তাঁর পরিকল্পনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
সবুজ ফকিরের বক্তব্যে দেশ, মাটি ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার বিষয়টি উঠে এসেছে। তাঁর মতে, মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারা এবং প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করতে পারাই হবে তাঁর সবচেয়ে বড় সার্থকতা।
তবে চেয়ারম্যান পদে তাঁর সম্ভাবনা কতটা শক্তিশালী হবে, তা নির্ভর করবে জনসম্পৃক্ততা, বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা, সাংগঠনিক অবস্থান এবং ভোটারদের আস্থার ওপর। শেষ পর্যন্ত কুশলা ইউনিয়নবাসীর প্রত্যাশা পূরণে কে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন, সেটিই হবে নেতৃত্বের মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড।