মাদক নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং কুশলী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুক্তার হোসেন মোল্লা।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুশলী ইউনিয়নের চারটি সার্বজনীন দুর্গামন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং কমিটির সভাপতিদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
মুক্তার হোসেন মোল্লা টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের সভাপতি। তাঁর নেতৃত্বে খালেক বাজার থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে মন্দির পরিদর্শন কর্মসূচি শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে দক্ষিণ বাঁশুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গামন্দির, দ্বিতীয় চর কুশলী পূর্বপাড়া বিশ্বাসবাড়ি সার্বজনীন দুর্গামন্দির, চর কুশলী সার্বজনীন দুর্গামন্দির এবং কুশলী দক্ষিণপাড়ার বাবু আদিত্য বিশ্বাসবাড়ি মন্দির পরিদর্শন করেন তিনি।
মন্দির পরিদর্শনকালে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, রাজনীতি করার মূল উদ্দেশ্য জনগণের সেবা করা। চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সুযোগ পেলে কুশলী ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত, উন্নত ও আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবেন। বিশেষ করে মাদকের বিস্তার রোধ, সামাজিক সমস্যা সমাধান এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকাকে অগ্রাধিকার দেবেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি শুধু নির্বাচন করার উদ্দেশ্যে আপনাদের কাছে আসিনি, আপনাদের আশীর্বাদ ও দোয়া নিতে এসেছি। জনগণ আমাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করলে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। আর নির্বাচিত না হলেও সব সময় জনগণের পাশে থাকব।”
মুক্তার হোসেন মোল্লা বলেন, মন্দির ও হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রয়োজনীয় সমস্যাগুলো সংসদ সদস্য এস এম জিলানীকে অবহিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেবেন। শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনের জন্য তিনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
এদিকে মন্দির পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে কুশলী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া কয়েকজনকে তাঁকে ঘিরে ‘আগামীর চেয়ারম্যান, মুক্তার ভাই’ স্লোগান দিতেও দেখা যায়।