1. kazi.rana10@gmail.com : Sohel Rana : Sohel Rana
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ‘অপপ্রচার’, দাবি করে ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন মধুখালীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত: ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডবিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত বোয়ালমারীতে মাদরাসার সভাপতিকে নিয়ে অপতথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে মধুখালীতে প্রস্তুতিমূলক সভা মধুখালীতে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা ফরিদপুরের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন মধুখালীর সুকদেব রায় ওবায়দুর রহমানের আদর্শ ধারণ করে সোনাপুরের উন্নয়ন করতে চান ছরোয়ার বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস এসোসিয়েশনের জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মধুখালীতে দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস পুলিশের সালথায় বরাদ্দের অর্ধেক সার অন্যত্র বিক্রি, ডিলারকে জরিমানা

মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ‘অপপ্রচার’, দাবি করে ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ Time View

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. নান্নু মোল্যার বিরুদ্ধে মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে এক উপকারভোগী নারীর ভাতার টাকা সাময়িকভাবে তাঁর বিকাশ নম্বরে জমা হলেও পরে সম্পূর্ণ টাকা ওই নারীকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উপকারভোগীর ব্যাংক হিসাব নম্বর সংশোধন করে দেওয়ায় বর্তমানে তাঁর নিজের অ্যাকাউন্টেই ভাতার টাকা জমা হচ্ছে।

আজ (মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর) দুপুরে কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ইউপি সদস্য নান্নু মোল্যা। এ সময় সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা ও উপকারভোগী নারী রুপা বেগমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে নান্নু মোল্যা বলেন, কাচারদিয়া গ্রামের আসলাম শেখের স্ত্রী রুপা আক্তার তাঁর নিকটাত্মীয়। তিনি মাতৃত্বকালীন ভাতার জন্য আবেদন করতে চাইলে তাঁকে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা ওমর ফারুকের কাছে পাঠানো হয়।

নান্নু মোল্যার দাবি, আবেদন করার সময় রুপার ব্যাংক হিসাব নম্বর দিয়ে চেষ্টা করলে সিস্টেমে বারবার ‘এই অ্যাকাউন্ট দিয়ে পূর্বে আবেদন করা হয়েছে’ বলে বার্তা আসে। আবেদনের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে আসায় উদ্যোক্তা তাঁর বিকাশ নম্বর ব্যবহার করে আবেদনটি সম্পন্ন করেন। তবে বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারেননি বলে দাবি করেন।

তিনি বলেন, নিজের বিকাশ নম্বরে ভাতার টাকা আসার বিষয়টি জানার পরপরই হিসাব সংশোধনের উদ্যোগ নেন। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একাধিকবার চেষ্টা করেও সংশোধন করা সম্ভব না হওয়ায় গত ২৮ জুন তিনি নিজেই মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে আবেদন করেন। পরে রুপার হিসাব নম্বর সংশোধনের ব্যবস্থা করা হয়।

নান্নু মোল্যা আরও দাবি করেন, হিসাব সংশোধনের প্রক্রিয়া চলাকালে তাঁর বিকাশ নম্বরে প্রতি মাসে ৮৫৫ টাকা করে জমা হতে থাকে। এভাবে ছয় মাসের টাকা জমা হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদের ভাউচারের মাধ্যমে পুরো অর্থ রুপাকে ফেরত দেওয়া হয়। এরপর থেকে রুপার নিজের অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা জমা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “ঘটনাটি তিন মাস আগেই সমাধান হয়েছে। অথচ আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আমার প্রতিপক্ষের লোকজন মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা ওমর ফারুকও বিষয়টি সম্পর্কে বক্তব্য দেন। উপকারভোগী রুপা বেগম বলেন, “মেম্বার নিজেই বিষয়টি আমাকে জানিয়েছিলেন। পরে হিসাব সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে এবং সব টাকা আমাকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আমার অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা আসছে। মেম্বার এক টাকাও আত্মসাৎ করেননি।”

এ বিষয়ে কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম বাদশা মিয়া বলেন, ঘটনাটি জানার পর তিনি উপকারভোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই নারী তাঁকে জানিয়েছেন, সব টাকা ফেরত পেয়েছেন এবং তাঁর হিসাব নম্বর সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।

চেয়ারম্যান বলেন, “টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণেই সমস্যাটি হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তারপরও সবাইকে সতর্ক করে দিয়েছি, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিচ্ছাকৃত ভুলও না হয়।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
error: Content is protected !!