আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই দেশে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছানো হয়েছে নির্বাচনি সরঞ্জামাদি। গোপালগঞ্জ-১ আসনের কেন্দ্রগুলোতে বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে কড়া নিরাপত্তা বলয়।
সরেজমিনে গোপালগঞ্জ-১ আসন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, কেন্দ্রের বাইরে সম্পূর্ণ নীরবতা। কেন্দ্রের আশপাশে কোনো লোকসমাগম নেই। প্রধান ফটক আটকে ভেতরে গেটের পাশেই বসে আছেন নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা। কেন্দ্রের ভেতরে রয়েছেন অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গোপালগঞ্জ-১ আসন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
এছাড়াও সারাদেশের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ১৯ হাজার ৩৫০ জন সদস্য। এর মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার সশস্ত্র সদস্য রয়েছে সেনাবাহিনীর।
এর আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ভোটে সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
নৌবাহিনীর উপকূলীয় পাঁচ জেলায় ১৭ আসনে ৫ হাজার এবং বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৫০০ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫ জন, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ৯ হাজার ৩৪৯ জন, আনসার ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৮ জন এবং বিএনসিসি’র ১ হাজার ৯২২ জন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন।
অন্যদিকে নির্বাচনি অপরাধের বিচার কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত রয়েছেন ৬৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট, ১ হাজার ৪৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনি তদন্ত কমিটিতে ৩০০ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছে।